ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান: হরমুজে নৌবাহিনী পাঠাবে না ইউরোপ
ফাইল ছবি
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ সংঘাতে সামরিকভাবে জড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে ইউরোপীয় দেশগুলো। সোমবার (১৬ মার্চ) ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে ইইউর পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কাল্লাস সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই এবং ইউরোপ দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধেও আগ্রহী নয়।
তিনি জানান, ইউরোপ মূলত সমুদ্র নিরাপত্তা জোরদারে মনোযোগ দিচ্ছে। তবে বর্তমান মিশন যেমন লোহিত সাগরে পরিচালিত অপারেশন সম্প্রসারণ করে হরমুজ প্রণালিতে নেওয়ার ব্যাপারে সদস্য দেশগুলোর আগ্রহ দেখায়নি।
ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও একই সুরে বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ সুরক্ষা ও জলদস্যুতা দমনকেন্দ্রিক ইইউর নৌ মিশনগুলো হরমুজ প্রণালিতে পরিচালনার জন্য তৈরি নয়। আমরা এসব মিশন শক্তিশালী করতে পারি, তবে হরমুজে তা সম্প্রসারণ সম্ভব নয়।
এদিকে জার্মানিও উপসাগরীয় অঞ্চলে সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা নাকচ করেছে। চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মার্য বলেন, আমরা তা করব না এবং দ্রুত রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানান।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিওয়াস বলেন, ন্যাটোর বাইরে সেনা মোতায়েন করতে আইনি অনুমোদন ও সংসদের সম্মতি প্রয়োজন এবং এটি আমাদের যুদ্ধ নয়।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্ট্রারমার-ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ব্রিটেন বৃহত্তর যুদ্ধে জড়াবে না এবং যে-কোনো সামরিক পদক্ষেপের জন্য আইনি ভিত্তি থাকতে হবে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
কেএম