ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

হাদি তো জামায়াতের প্রোডাক্ট: ফয়সাল

ধৃমল দত্ত | প্রকাশিত: ০৪:১৩ পিএম, ২২ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রথমবার প্রকাশ্যে মুখ খুললেন মামলার অন্যতম প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ। তার দাবি, এই হত্যাকাণ্ড জামায়াত-বিএনপির চাল হতে পারে। রোববার (২২ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গের একটি আদালতে তোলার সময় সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ফয়সাল। এসময় শহীদ ওসমান হাদিকে ‘জামায়াতের প্রোডাক্ট’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় আদালতে পাঠানো হয়। ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমার বিশেষ আদালতে তোলা হয় তাদের।

এ সময় হাদি হত্যা বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফয়সাল বলেন, আমি এই কাজ করিনি। এটি জামায়াত-বিএনপির চাল হতে পারে।

তবে জামায়াতের কে এর সঙ্গে জড়িত এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, সেটা তো আমি জানি না।

আরও পড়ুন>>
হাদিকে গুলি করা প্রসঙ্গে যা বললেন ফয়সাল
হাদি হত্যাকাণ্ড জামায়াত-বিএনপির চাল হতে পারে, দাবি ফয়সালের
আমি এই কাজ করিনি: হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল

ফয়সাল আরও বলেন, আপনারা যে হাদি হাদি করছেন, বাংলাদেশের মানুষ যে হাদি হাদি করছে, হাদি তো জামায়াতের প্রোডাক্ট।

হাদি হত্যাকাণ্ডের সময় আপনি বাংলাদেশে ছিলেন কি না, এর উত্তরে তিনি বলেন, হ্যাঁ ছিলাম।

গত ৭ মার্চ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। এরপর তাদের ১৪ দিনের রিমান্ডে পাঠান পশ্চিমবঙ্গের একটি আদালত।

৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এলাকায় এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ওসমান হাদিকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। পরে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

ডিডি/কেএএ/