সুদানে সাতদিনের যুদ্ধবিরতি
ছবি: সংগৃহীত
সুদানে লড়াইরত সেনাবাহিনী এবং আধা সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) সাতদিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। প্রতিবেশী দক্ষিণ সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (২ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর সিএনএনের।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শান্তি আলোচনার জন্য প্রতিনিধি পাঠাবে সুদানে লড়াইরত দু’পক্ষ। এই আলোচনা তাদের পছন্দ অনুসারে কোনো জায়গায় অনুষ্ঠিত হবে।
সুদানিজ সেনাবাহিনী বা আরএসএফ কেউই এ প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
আরও পড়ুন>> সুদান ছেড়ে পালিয়েছে এক লাখ মানুষ: জাতিসংঘ
এর আগে, গত সোমবার সুদানে নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ভলকার পার্থেস বলেছিলেন, উভয় পক্ষ একটি ‘স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য’ যুদ্ধবিরতির আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। আলোচনার সম্ভাব্য ভেন্যু হতে পারে সৌদি আরব।
যদি সত্যিই শান্তি আলোচনা শুরু হয়, তবে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে এটিই হবে প্রথম বৈঠক।
সুদানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ১৫ এপ্রিল দেশটিতে সংঘাত শুরুর পর থেকে পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন চার হাজারেরও বেশি।
আরও পড়ুন>> বাংলাদেশিসহ আরও ৫২ জনকে উদ্ধার করলো সৌদি
কয়েক দফায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি মিললেও তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। আরএসএফ’কে দুর্বল করতে খার্তুমে বিমানহামলা চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। লড়াই ছড়িয়ে পড়েছে পশ্চিমের দারফুর অঞ্চলেও।
ইউএনএইচসিআর’র মুখপাত্র ওলগা সাররাডো জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেছেন, সংঘাত থেকে বাঁচতে অন্তত এক লাখ লোক সুদান ছেড়ে পালিয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সীমান্তে রোজ ভিড় করছেন অসংখ্য শরণার্থী।
বেশিরভাগ ইউরোপীয় দেশ তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করেছে। মঙ্গলবার রাশিয়া বলেছে, তারা নিজেদের এবং ‘বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর’ নাগরিক মিলিয়ে ২০০ জনেরও বেশি লোককে সুদান থেকে সরিয়ে নিতে চারটি সামরিক প্লেন পাঠাচ্ছে।
আরও পড়ুন>> ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সুদানে নিরানন্দ ঈদ
সুদানে কীভাবে বেসামরিক শাসন ফিরিয়ে আনা হবে, মূলত তা নিয়ে দুই ক্ষমতাধর সামরিক অধিনায়কের দ্বন্দ্ব থেকে এই লড়াই চলছে।
দেশটির বর্তমান সামরিক সরকার চলে মূলত সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের নেতৃত্বে। তার সঙ্গে উপনেতা হিসেবে রয়েছেন আরেকটি আধা-সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) প্রধান মোহাম্মদ হামদান হেমেডটি দাগালো। বেসামরিক শাসনে প্রত্যাবর্তনের পরিকল্পনা অনুযায়ী এ দুটি বাহিনীকে একীভূত করার কথা।
কিন্তু আরএসএফ তাদের বিলুপ্ত করার বিপক্ষে এবং এই পরিকল্পনা থামানোর জন্য নিজেদের বাহিনীকে রাস্তায় নামায়। এরপর তা সেনাবাহিনী এবং আরএসএফের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে।
কেএএ/
সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক
- ১ ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধে নিজেদের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ ইসরায়েলই
- ২ বাংলাদেশি কি না যাচাইয়ে ‘মোবাইল দিয়ে স্ক্যান’, বিতর্কে উত্তর প্রদেশ পুলিশ
- ৩ পশ্চিমবঙ্গের মেলায় বাংলাদেশি বই বিক্রিতে হিন্দু সংগঠনের বাধা-বিক্ষোভ
- ৪ তিন ক্যাটাগরির পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প
- ৫ ইরানে হস্তক্ষেপ করলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হবে: যুক্তরাষ্ট্রকে তেহরানের হুঁশিয়ারি