ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

শপথ নিলেন মিয়ানমারের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত: ০৪:৫১ এএম, ৩০ মার্চ ২০১৬

শপথ গ্রহণ করেছেন মিয়ানমারের প্রথম গণতান্ত্রিক সরকারের প্রেসিডেন্ট এবং সু চির ঘনিষ্ট বন্ধু থিন কিয়াও। তার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দেশটিতে দীর্ঘ ৫০ বছরের সামরিক শাসনের অবসান হলো। খবর বিবিসির।

রাজধানী নাইপিদাওয়ের পার্লামেন্টে মায়ানমার ও দেশের জনগণের প্রতি অনুগত থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ৬৯ বছর বয়সী নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে থিন কিয়াও সপথ নিলেও মূল ক্ষমতা থাকবে সু চির হাতেই। থিন কিয়াও সু চির ছায়া হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

ইতোমধ্যেই সামরিক সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। গত নভেম্বরে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সু চির দল এনএলডি। পার্লামেন্টের ৮০ ভাগ আসনেই জয়লাভ করে এনএলডি। তবে ২৫ ভাগ আসন দেশটির সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতে রয়েছে।

মিয়ানমারে সু চির ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা স্বত্তেও প্রেসিডেন্ট হতে পারেন নি তিনি। কারণ তার স্বামী এবং দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী কারো স্বামী বা সন্তান মিয়ানমারের নাগরিক না হলে সে প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। তবে প্রেসিডেন্ট হতে না পারলেও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ যে কোনো মন্ত্রীপদ দখলে থাকবে সু চির। শুধু তাই নয় খোদ প্রেসিডেন্টসহ দলে শীর্ষ স্থানীয়রা সু চির কথা মতোই চলবে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

দীর্ঘদিন পর গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলো। নতুন সরকারের কাছে জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষাও অনেক। সু চি এবং তার দল নির্বাচনী প্রচারণায় জনগণের দুঃখ-কষ্ট দুর করে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এখন ক্ষমতায় এসে তারা তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো কিভাবে পূরণ করবেন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

টিটিএন/এমএস