যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজে আরও হামলার হুমকি
ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থনে লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যুদ্ধজাহাজসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। সেখানে এই হামলা অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানিয়েছে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীটি। তবে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় এরই মধ্যে লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে, যার প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে।
হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আগ্রাসনে অংশ নেওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যুদ্ধ জাহাজ তাদের মূল লক্ষ্যবস্তু।
ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠীটির ওপর এখন পর্যন্ত অন্তত নয়বার হামলা চালিয়েছেন বাইডেন। এতে বৈশ্বিক শিপিং ইন্ডাস্ট্রিতে একটি সংকট তৈরি হয়েছে। কাজে আসছে না মার্কিন নেতৃত্বাধীন টাস্কফোর্সও। হুথি বিদ্রোহীদের দাবি, ফিলিস্তিনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত এই হামলা চালানো হবে।
ইসরায়েল ও হামাসের মধ্য সংঘাত শুরুর পরই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও রকেট হামলা চালাচ্ছে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী। যদিও এসব হামলার অধিকাংশই ভূ-পাতিত করা হয়েছে। কিন্তু জর্ডানে সবশেষ হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পাশাপাশি ৩৪ জন আহত হয়েছেন।
কোরিয়ার যুদ্ধের পর এটিই মার্কিন বাহিনীর ওপর সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী হামলা। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ওপর চাপ বাড়ছে প্রতিশোধমূলক হামলার। এমন পরিস্থিতিতে লেবানন থেকে ইয়েমেন পর্যন্ত রাজনৈতিক সহিংসতা তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।
সিরিয়া ও ইরাকে মার্কিন বাহিনী লক্ষ্য করে অব্যাহত হামলার জন্য বাইডেন শুরু থেকেই ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলেকে দায়ী করছেন। ইরান তাদের সামরিক সহায়তা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে। এই গোষ্ঠীগুলো ড্রোন ও রকেট দিয়ে হামলা পরিচালনা করছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত আটবার প্রতিশোধমূলক হামলা করেছে। বেশি হামলা করা হয় ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএসএম/জিকেএস
সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক
- ১ চুক্তি হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যৌথভাবে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করবে
- ২ সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ২৩ মার্চ ২০২৬
- ৩ ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে: ট্রাম্প
- ৪ ইরান যুদ্ধের ফলে ভারতের সামনে ‘অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জ’ তৈরি হয়েছে: মোদী
- ৫ সরকারি গাড়িতে হাই-অকটেনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান