ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

নাসা গ্রুপের এমডি নজরুলের স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তি জব্দের আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০২:৩২ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

এক্সিম ব্যাংক ও নাসা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নজরুল ইসলাম মজুমদারের স্ত্রী এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক নাসরিন ইসলামের নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি জব্দের (ক্রোক) আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আসামির নামীয় স্থাবর সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে, আদেশ কার্যকর করতে জেলা প্রশাসক ও জেলা রেজিস্ট্রার, কুমিল্লার প্রতি প্রয়োজনীয় নির্দেশ জারির বিষয়েও বলা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এর একটি মামলায় নাসরিন ইসলামকে আসামি করা হয়। মামলাটি দায়ের করা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায়।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, মিসেস নাসরিন ইসলাম (স্বামী- নজরুল ইসলাম মজুমদার) ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২০ কোটি ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫০ টাকার সম্পদ অসাধুভাবে অর্জন করে নিজ ভোগদখলে রেখেছেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শিহাব সালাম আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করেন, তদন্তকালে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে আসামি তার নামীয় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বিক্রি, হস্তান্তর বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। মামলা নিষ্পত্তির পূর্বেই এসব সম্পদ রূপান্তর বা বিক্রি হয়ে গেলে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৮ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী আসামির নামে অর্জিত স্থাবর সম্পত্তি অবিলম্বে ক্রোকের আবেদন জানানো হয়। দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে কমিশনের অনুমোদন রয়েছে।

শুনানি শেষে আদালত দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি জব্দের (ক্রোক) আদেশ দেন এবং হস্তান্তর, নামজারি বা অন্য কোনো ধরনের মালিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এমডিএএ/এএমএ