নৌ-পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশ, দুই ব্যক্তির ১৪ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ
নৌ-পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অসাধু যোগসাজশে রাষ্ট্রীয় অর্থপাচার ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুই ব্যক্তির নামে থাকা ১৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর এ আদেশ দেন।
জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, নৌ-পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অসাধু যোগসাজশে মোতাল্লেছ হোসেন ও মোদাচ্ছের হোসেন রাষ্ট্রীয় অর্থ পাচারের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করেছেন, এমন অভিযোগ বর্তমানে অনুসন্ধানাধীন। অনুসন্ধানকালে তাদের নামীয় ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের একাধিক ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া যায়।
দুদক জানায়, সংশ্লিষ্টরা এসব হিসাব থেকে অর্থ অন্যত্র স্থানান্তর, হস্তান্তর বা বেহাতের চেষ্টা করছেন। ফলে অর্থ উদ্ধার জটিল হয়ে পড়তে পারে। এ কারণে হিসাবগুলো অবিলম্বে ফ্রিজ করা প্রয়োজন বলে আদালতে আবেদন করা হয়।
আদালতের আদেশে মোতাল্লেছ হোসেন, মোদাচ্ছের হোসেন এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান মানহা জেম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, এম.এল ট্রেডিং ও মেসার্স এম.এল এন্টারপ্রাইজের নামে থাকা মোট ১৪টি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসব হিসাব রয়েছে সিটি ব্যাংক পিএলসি, প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি এবং শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র প্রধান কার্যালয়ে।
আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের প্রতি অবিলম্বে অবরুদ্ধকরণের আদেশ কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এমডিএএ/এমআইএইচএস
সর্বশেষ - আইন-আদালত
- ১ ভাটারায় স্ত্রী হত্যার ১৩ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
- ২ নৌ-পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশ, দুই ব্যক্তির ১৪ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ
- ৩ বরিশালে এজলাসে ভাঙচুর: আইনজীবী নেতার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল
- ৪ কাজী এরতেজার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা
- ৫ সুলতান মাহমুদকে সরাতে চিঠি দিয়েছিলেন সদ্য বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর তাজুল