শাহাদাত দম্পতির গৃহকর্মী নির্যাতন মামলার রায় ৬ নভেম্বর
ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান ওরফে নিত্য শাহাদাত দম্পতির বিরুদ্ধে দায়ের করা শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলার রায়ের তারিখ আগামী ৬ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
সোমবার রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক তানজিলা ইসলাম রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলী আজগর স্বপন আদালতে যুক্তি উপস্থাপনকালে বলেন, ভিকটিম হ্যাপির শরীরে যে আঘাতের চিহ্ন ছিল তা সত্য। আদালতের কাছে যদি প্রতীয়মান হয় মামলার কোনো সাক্ষী ঘটনাটি প্রমাণ করেছেন তাহলে আসামিদের শাস্তি হতে পারে। চিকিৎসক আদালতে দেয়া সাক্ষে হ্যাপির শরীরে আঘাত ও ক্ষতবিক্ষতের চিহ্ন ছিলো প্রমাণ করেছেন। হ্যাপি নিজেও ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২২ ধারায় প্রদত্ত জবানবন্দিতে তাকে নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছে।
অপরদিকে বিবাদী পক্ষের আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু আদালতে বলেন, ভিকটিম হ্যাপি মামলা, জবানবন্দি ও জেরায় তাকে আঘাতের কথা বলেনি। চিকিৎসক ও ম্যাজিস্ট্রেট ভিকটিমের শরীরে দাহ্য পদার্থ দ্বারা আঘাতের কোনো প্রতিবেদনও আদালতে উপস্থাপন করতে পারেননি। ক্রিকেটার শাহাদাত ও তার স্ত্রী জেসমিন ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। তাই আমরা মামলার দায় থেকে তাদের খালাস দাবি করছি। এ সময় তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী জি এম মিজানুর রহমান।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপিকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগে ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান ওরফে নিত্য শাহাদাতের বিরুদ্ধে সাংবাদিক খন্দকার মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
একই বছরের ২৯ ডিসেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে মিরপুর থানার জিআর শাখায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুর রহমান ক্রিকেটার শাহাদাত ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক তানজিলা ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
জেএ/জেডএ/আরআইপি
সর্বশেষ - আইন-আদালত
- ১ মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক ২ এপ্রিল
- ২ সংবিধান মেনেই এসেছি, এখনো মানছি, সামনেও মেনে চলবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৩ জুলাই সনদ পুংলিঙ্গ নাকি স্ত্রীলিঙ্গ, প্রশ্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ৪ প্রসিকিউটরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
- ৫ লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে, না হয় চলে যেতে হবে