ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

৭ খুনের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল : রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১০:৫৪ এএম, ২৩ জুলাই ২০১৭

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আনা যুক্তি উপস্থাপন শেষ করা হয়েছে। আগামীকাল (সোমবার) আসামিপক্ষ যুক্তিতর্কের রিপ্লাই দেবে। তারপর মামলার কার্যক্রম শেষ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। 

রোববার বিচারপতি ভবানী প্রসাদসিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ।

শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বিচারিক (নিম্ন) আদালতের দেয়া রায় বহাল রাখার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি আদালতে বলেন, এই হত্যাকাণ্ড ছিল পূর্বপরিকল্পিত। তাই মামলার রায়ের মধ্য দিয়ে যেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আসে।

তিনি আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের নাটেরগুরু নূর হোসেন। তাই তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হতে হবে। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের রায়ে দৃষ্টান্তমূলক সাজা প্রত্যাশা করেন। পরে এই মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করা হয়।

এর আগে গত ২২ মে সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হয়। শুনানি শুরু হওয়ার পর থেকে বেশ কয়েক দিন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন করেন।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নূর হোসেনসহ আসামিদের নিয়মিত ও জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।

গত ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ আসামিরা খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন। এর আগে ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের মামলায় সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদসহ ২৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বাকি নয় আসামির সবাইকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। তিনদিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে ছয়টি মরদেহ। পরদিন পাওয়া যায় আরেকটি মরদেহ। নিহত অন্যরা হলেন নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম।

ঘটনার একদিন পর কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা (পরে বহিষ্কৃত) নূর হোসেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।

 

এফএইচ/এসএইচএস/পিআর