ডাটাবেজের আওতায় এলেন কক্সবাজার সৈকতের ফটোগ্রাফাররা
প্রতারণা এড়াতে পৃথিবীর বৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের পেশাদার ফটোগ্রাফারদের ডাটাবেজের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যটকদের সেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি ফটোগ্রাফার পেশাকে আরও মজবুত ও সুরক্ষা দিতে তাদের ডাটাবেজের আওতায় আনা হয়।
মঙ্গলবার ট্যুরিস্ট পুলিশের উদ্যোগে এই কর্মশালা ও ডাটাবেজ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। রাজধানীর বনশ্রীতে অবস্থিত টুরিস্ট পুলিশের হেড অফিস সূত্র জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চত করেছে।
জানা যায়, প্রথমদিন ডাটাবেজের আওতায় আসা ২৯৫ জন ফটোগ্রাফারকে পরিচিতি কার্ড দেয়া হয়। ডাটাবেজের অনুকূলে ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্তৃক ইস্যু করা সব তথ্যসম্বলিত একটি পরিচিতি কার্ড দেয়া হচ্ছে ফটোগ্রাফারদের। সৈকতে ছবি তোলার সময় ওই কার্ডটি গলায় ঝুলবে তাদের।
একইসঙ্গে নির্দিষ্ট পোশাক পরে ফটোগ্রাফিং করতে হবে। ওই পোশাকের গায়ে ছবির তোলার মূল্য সংযোযিত থাকবে। এছাড়া যেকোনো প্রয়োজনে ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিউটি অফিসার এবং প্রয়োজনীয় মোবাইল নাম্বার ও ফেসবুক পেইজের ঠিকানা সংযোজিত থাকবে।
পেশাদার ফটোগ্রাফারদের কর্মশালা ও ডাটাবেজ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধান আলোচক ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার অঞ্চলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী বলেন, ‘কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে এসে ফটোগ্রাফারের হাতে প্রায়ই হয়রানির শিকারের অভিযোগ আসে। কিছু ঘটনার তাৎক্ষণিক সমাধান হলেও অনেক ক্ষেত্রে কুল-কিনারাই পাওয়া যায় না। এসবের মূল কারণ মওসুমি ও অপেশাদার ফটোগ্রাফার। তাই পেশাদার ফটোগ্রাফার চিহ্নিতকরণ ও পর্যটক হয়রানি রোধে ডাটাবেজের তৈরির উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে।’
ফটোগ্রাফারদের উদ্দেশে রায়হান কাজেমী বলেন, ‘জোর করে কখনও পর্যটকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা যাবে না। সুন্দর আচরণ দিয়ে পর্যটকের মন জয় করতে হবে। এই জন্য পর্যটককে দেখার সঙ্গে সঙ্গে ‘স্যার’ সম্বোধন করে স্বাগত জানাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বিরক্ত করা যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘সৈকতে নামার সঙ্গে সঙ্গে ইউনিফর্ম পরতে হবে। গলায় ডাটাবেজের কার্ড ঝোলাতে হবে। এই নিয়ম না মেনে সৈকতে নামা যাবে না’।
পর্যটকের সঙ্গে ‘এক্সকিউজমি’, ‘থ্যাংকইউ’, ‘প্লিজ’ ও ‘সরি’ এই চারটি শব্দ ব্যবহারের অভ্যাস করার জন্য ফটোগ্রাফারদের অনুরোধ করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এইচএস/বিএ