ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের বড় সাফল্য

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশিত: ০৫:১৪ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ফলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টির পথ খুলে গেলো।

বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থানরত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশে আরোপিত বর্তমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কহার কমানোর বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্থাপন করতে সম্মত হয়েছেন। এই শুল্কহার কমানো হলে তা আঞ্চলিক প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

এর পাশাপাশি, বাংলাদেশের রপ্তানি অগ্রাধিকারকে সমর্থন দিতে উভয় পক্ষ একটি উদ্ভাবনী ও ভবিষ্যৎমুখী সমাধানে পৌঁছেছে, যা আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রকে ২০ শতাংশ শুল্ক কমানোর প্রস্তাব বাংলাদেশের
ভিসা বন্ড থেকে বাংলাদেশকে অব্যাহতির আহ্বান ড. খলিলুরের
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চান নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, গতকাল ড. খলিলুর রহমান ও রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের মধ্যে আলোচিত একটি প্রস্তাবিত বিশেষ সুবিধা কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্তভাবে টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির সুযোগ পাবে—যার পরিমাণ নির্ধারিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা এবং কৃত্রিম তন্তুভিত্তিক টেক্সটাইল উপকরণ বাংলাদেশ যে পরিমাণ আমদানি করবে, তার সমপরিমাণ (স্কয়ার-মিটার ভিত্তিতে)।

এই সৃজনশীল ও উভয়পক্ষের জন্য লাভজনক উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করবে, বাংলাদেশের শিল্পকারখানা ও শ্রমিকদের সহায়তা দেবে এবং মার্কিন উৎপাদকদের সঙ্গে সরবরাহ শৃঙ্খল আরও গভীর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিবাচক গতি ও পারস্পরিক সদিচ্ছার প্রতিফলন, যা বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্ভাবনায় এক নতুন ও আশাব্যঞ্জক অধ্যায়ের সূচনা করলো।

এমইউ/ইএ/এএসএম