ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

লাইটার জাহাজের সংকট নিরসনে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৭:০৮ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে লাইটার জাহাজ সংকট নিরসনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। আমদানিকারকদের একটি অংশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে ব্যবহৃত লাইটার জাহাজগুলোকে অবৈধভাবে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করায় সৃষ্টি হওয়া সংকট মোকাবিলায় মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অওতাধীন নৌপরিবহন অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নৌপরিবহন অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নৌপরিবহন অধিদপ্তর জানিয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কয়েকজন আমদানিকারক লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস না করে দীর্ঘদিন আটকে রাখছেন এবং সেগুলোকে কার্যত ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া রমজান মাসকে সামনে রেখে আমদানিকারকরা একসঙ্গে অনেক বেশি বাণিজ্যিক জাহাজে করে পণ্য আমদানি করেছেন। তাই হঠাৎ করে বহিঃনোঙরে বাণিজ্যিক জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সমুদ্রবন্দর থেকে পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় লাইটার জাহাজের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এতে করে আমদানি করা পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে, স্বাভাবিক পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে নারায়ণগঞ্জ, যশোর, নোয়াপাড়া এবং দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এলাকায় অনতিবিলম্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত জাহাজে থাকা পণ্যের আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মোহাম্মদ শফিউল বারীর সই করা এক আদেশে জানানো হয়, অভিযানের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্সে নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ-পুলিশ এবং অভ্যন্তরীণ নৌযান পরিদর্শন দপ্তরের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

এছাড়া, অভিযানের সময় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে সার্বিক সহযোগিতা দিতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। টাস্কফোর্সের কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক।

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে লাইটার জাহাজের অপব্যবহার বন্ধ হবে, পণ্য খালাসে গতি আসবে এবং রমজানকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরএমএম/এমএমকে/জেআইএম