ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

সীমান্ত হত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতন বেড়েছে: এমএসএফের প্রতিবেদন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৯:৫৩ পিএম, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যা বেড়েছে। গণপিটুনি বা মব সন্ত্রাসে জানুয়ারিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে অজ্ঞাতনামা মরদেহের সংখ্যাও। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) দেওয়া জানুয়ারি মাসের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা এবং নিজেদের অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে মানবাধিকার প্রতিবেদন তৈরি করে এমএসএফ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ডিসেম্বরে সীমান্তে গুলিবদ্ধ হয়েছে একজন, মারা গেছে দুজন। আর চলতি বছরের জানুয়ারিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে ৬ জন, নিহত হয়েছে ৩ জন। জানুয়ারিতে ভারতীয় কোস্টগার্ড কর্তৃক ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ২৯টি, যেখানে ডিসেম্বর মাসে এই সংখ্যা ছিল দুটি।

ডিসেম্বরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ছিল চারটি। জানুয়ারিতে তা তিনগুণ বেড়ে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫টিতে। এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মব বা গণপিটুনির ২৮টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন। গত ডিসেম্বরে এ ধরনের ২৪টি ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০ জন।

প্রতিবেদনে এমএসএফ জানায়, গণপিটুনির ঘটনায় জানুয়ারিতে নিহত ও আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে। মানবাধিকার সংগঠনটি মনে করে, আইন অবজ্ঞা করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা অবশ্যই ফৌজদারি অপরাধ, যা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারি মাসে ৫৭টি অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ছিল ৪৮। গত ডিসেম্বরে কারা হেফাজতে ৯ জন মারা গেলেও জানুয়ারি মাসে সেই সংখ্যা ১৫ জন।

সংস্থাটি জানায়, রাজনৈতিক ও নির্বাচনি সহিংসতা জানুয়ারি মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ডিসেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতা হয়েছে ১৬টি, জানুয়ারি মাসে হয়েছে ২৪টি। একইভাবে নির্বাচনি সহিংসতার ঘটনা ডিসেম্বরে হয়েছে সাতটি, জানুয়ারিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে ৬৪টি।

এসএম/এমএমকে