পোস্টাল ব্যালটে কারাবন্দিদের ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে কারাবন্দি ভোটারদের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সারাদেশের বিভিন্ন কারাগারে থাকা মোট ৫ হাজার ৯৬০ জন বন্দি ভোটার নিজ নিজ কারাগারে স্থাপিত নির্ধারিত বুথে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
ভোটগ্রহণ চলবে ৩, ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি। এ তিনদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট দেওয়া যাবে।
নির্বাচন কমিশনের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, আজ সকাল থেকে কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে কারাবন্দিদের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আওতায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের বিভিন্ন কারাগারে ডাকযোগে প্রাপ্ত খামযুক্ত পোস্টাল ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট দিচ্ছেন বন্দিরা।
ঢাকার কেরানীগঞ্জ বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি সাবেক মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতারাসহ মোট ২২ জন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এছাড়া সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ও সাবেক সচিবসহ আরও কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন কারা-মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। তিনি বলেন, ঢাকার কেরানীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন কারাগারে ৫ হাজার ৯৬০ জন বন্দি ভোটার আজ থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছে।ভোটগ্রহণ কার্যক্রম ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি থাকায় ওই দিন ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকবে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) সিনিয়র জেল সুপার সুরাইয়া আক্তার বলেন, বুথে কারাবন্দি ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন। ভোটগ্রহণের আগে বন্দিদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, দেশের সব কারাগারের মধ্যে সর্বাধিক কারাবন্দি ভোটার রয়েছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ), যেখানে ভোটারের সংখ্যা আনুমানিক ৬০০ জনের বেশি।
টিটি/এমএএইচ/