ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

ভোটের মাঠ

জরুরি মুহূর্তে নিরাপত্তা দিতে সক্রিয় আনসারের ১১৯১ স্ট্রাইকিং টিম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৪:৩৯ এএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় মাঠে সক্রিয় রয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ১ হাজার ১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম।

‘নির্বাচনি সুরক্ষা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে প্রতিটি আনসার ব্যাটালিয়ন স্ট্রাইকিং টিমের একজন সদস্য রেসপন্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর ফলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া, তথ্য আদান-প্রদান ও বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও সহজ হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাহিনীর উপ-পরিচালক মো. আশিকউজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে জরুরি মুহূর্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত ও শৃঙ্খলা রক্ষায় এসব সশস্ত্র স্ট্রাইকিং টিম মোতায়েন রয়েছে।

জরুরি মুহূর্তে নিরাপত্তা দিতে সক্রিয় আনসারের ১১৯১ স্ট্রাইকিং টিম

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রত্যন্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে এবং প্রতিটি জেলায় একটি করে আনসার ব্যাটালিয়ন স্ট্রাইকিং টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এসব টিমের কার্যক্রম জেলা ও রেঞ্জ কার্যালয় ছাড়াও আনসার ভিডিপি সদর দপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিকভাবে তদারক করা হচ্ছে।

উপ-পরিচালক আশিকউজ্জামান বলেন, নির্বাচনি নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনি দায়িত্বের তিনটি ধাপ জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচন দিবস ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব স্ট্রাইকিং টিম মাঠে সক্রিয় থাকবে। নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, বিশৃঙ্খলা কিংবা অপশক্তির অপচেষ্টা মোকাবিলায় তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

জরুরি মুহূর্তে নিরাপত্তা দিতে সক্রিয় আনসারের ১১৯১ স্ট্রাইকিং টিম

সম্মিলিত নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় আনসার ব্যাটালিয়ন স্ট্রাইকিং টিম জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‍্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছে।

সুপরিকল্পিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিনির্ভর তদারকি এবং বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ার একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছে। মাঠপর্যায়ে আনসার বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতি ভোটারদের আস্থা বাড়ানো এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

টিটি/একিউএফ