ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

নতুন সরকার পূর্ববর্তী সংস্কার চালিয়ে যাবে, আশা ইইউ রাষ্ট্রদূতের

কূটনৈতিক প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৩:৩৮ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে শুরু হওয়া বিভিন্ন সংস্কার নতুন সরকার চালিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মিলার।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি নতুন সরকার পূর্ববর্তী প্রশাসনের অধীনে শুরু হওয়া বিভিন্ন সংস্কার চালিয়ে যাবে।

ইইউ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, আমরা বিচারব্যবস্থা সংস্কার, বাণিজ্যিক আদালত স্থাপন এবং অভিবাসন ব্যবস্থায় নিয়মিত প্রবর্তনের কাজগুলো বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করছি। এগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের লক্ষ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন–বাংলাদেশ সম্পর্কের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও বাংলাদেশের মধ্যকার অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ) খুব শিগগির সই হবে।

পিসিএ চুক্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত বলেন, আজ সব বিষয়ই আলোচনার মধ্যে ছিল। এটি একটি ফলপ্রসূ বৈঠক ছিল। আমাদের অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে এবং আমরা আশা করি শিগগির বাংলাদেশের সঙ্গে এটি স্বাক্ষর করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের মধ্যে মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা আপনার উল্লিখিত সব বিষয়ই আলোচনা করেছি।

প্রতিনিধিদলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

মাইকেল মিলার জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন হিসেবে তারা একত্রিতভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছেন। ইইউ বাংলাদেশকে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মিলার বলেন, ইইউ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী, গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদানকারী এবং নতুন নির্বাচিত সরকারের জন্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী।

বৈঠক শেষে তিনি বলেন, আমরা আমাদের বৈঠকে সন্তুষ্ট এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন–বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু ও আরও ঘনিষ্ঠ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।

জেপিআই/এসএইচএস