ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

দগ্ধদের বার্ন ইনস্টিটিউটে দেখতে গেলেন দুই মন্ত্রী

ঢামেক প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০২:৫৬ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের দেখতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দীন। পরে তিনি আহতদের বর্তমান অবস্থা ও চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য অবহিত করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, একজন রোগী ভেন্টিলেশনে আছেন। আমি তাদের দেখে এসেছি, ভর্তি রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। কুমিল্লা থেকে সকালে একই পরিবারের চারজন এসেছে, তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা এখানে চিকিৎসকদের বলেছি তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার জন্য।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের বলেন, গ্যাস লিকেজ থেকে সারা বছরই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের হালিশহরে গতকাল একটি ঘটনা ঘটেছে এবং আজ সকালে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আরও একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা শিল্প মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ও ত্রাণব্যবস্থা মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করতে চাই। যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা যায়। আমরা অল্প সময়ের মধ্যে তিন মন্ত্রণালয় বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো কীভাবে এ দুর্ঘটনাকে কমিয়ে আনা যায়।

সাংবাদিকদের তিনি আরও জানান, এ ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। শিশুসহ নারীরা আহত হয়েছেন। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যে ধরনের সাপোর্ট লাগে আমরা সেই ধরনের সাপোর্ট দেবো।

পরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, আজও সেহরির পরে শিশু-বৃদ্ধসহ দগ্ধ হয়েছেন কয়েকজন। আমরা এ ধরনের ঘটনা প্রায় পাই। আমাদের এখানে চিকিৎসায় তাদের কোনো সমস্যা হবে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আমরা চিকিৎসার ব্যাপারে সাহায্য পাবো।

তিনি আরও বলেন, আমাদের চট্টগ্রাম থেকে আগেই বিষয়টি জানানো হয়। সেই অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। আমাদের চিকিৎসকরা বিষয়টি জানতেন এবং অতিরিক্ত জনবল ডিপ্লয় করা ছিল। চট্টগ্রাম থেকে আনার পথে একজন নারী এখানে মারা যান। অনেকের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। দগ্ধদের আইসিইউ, এইচডিইউতে চিকিৎসা চলছে। আটজনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এসএনআর/জেআইএম