বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ম্যাগাজিন ‘গণগ্রাফিতি’র মোড়ক উন্মোচন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘গণগ্রাফিতি’ উন্মোচন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে আন্দোলনের ম্যাগাজিন ‘গণগ্রাফিতি’।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে বইমেলার মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদের সভাপতিত্বে এবং মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম, লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট মোহাম্মদ সজল, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত এবং কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজ।
অনুষ্ঠানে কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের তরুণদের অবদান অসামান্য। ৫ আগস্ট তারা যা করেছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তবে তাদের পড়াশোনায় কিছু ঘাটতি আছে। তাদের আরও শিখতে হবে, আরও পড়তে হবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ বলেন, আমরা আজকের এই মঞ্চ থেকে ঘোষণা করছি, সারা বাংলাদেশে যত গ্রাফিতি হয়েছে, আমরা সেগুলো সংগ্রহ করছি। ই গ্রাফিতিগুলো নিয়ে আমরা একটি বিশেষ সংস্করণ প্রকাশ করবো। খুব শিগগির সেটি প্রকাশ করা হবে।’
লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট মোহাম্মদ সজল বলেন, রাষ্ট্রকে কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত করার যে প্রবণতা আমাদের উপমহাদেশে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, সেই প্রথার মূলে কুঠারাঘাত করার প্রথম সোপান ছিল জুলাই।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, অভ্যুত্থানকালে বিভিন্ন দেওয়ালে যে স্লোগানগুলো লেখা হয়েছিল, আজ সেগুলো উচ্চারণ করলে অনেক টেলিভিশন টকশোতে কিছু বুদ্ধিজীবী আমাদের অশ্লীলতার তকমা দেন। গণগ্রাফিতি নামটির একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। জনগণের যে কথাগুলো বিভিন্ন দেওয়ালে লিপিবদ্ধ আছে, সেগুলোকে লেখনীর মাধ্যমে স্থান দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা এটি।
প্রথম সংখ্যায় থাকছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ তিন প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও এনসিপির নিজস্ব ভাবনা। পাশাপাশি রয়েছে বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্কুলছাত্রীদের দৃষ্টিভঙ্গি। এছাড়া থাকছে বিশেষ সাক্ষাৎকার এবং অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট প্রবন্ধ ও গল্প।
এনএস/এসএনআর