ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

চিফ হুইপ

নির্ধারিত সময়ে ১৩৩ অধ্যাদেশ পাস করাতে প্রয়োজনে শুক্রবারও অধিবেশন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৪:৩৯ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে ১৩৩টি অধ্যাদেশ পাস করার চাপে রয়েছে বর্তমান সংসদ। এরই মধ্যে ৪৪টি অধ্যাদেশ পাস হয়েছে।

তিনি বলেন, দ্রুত অগ্রগতির জন্য একাধিক অধ্যাদেশকে একীভূত করে বিল আকারে উত্থাপন করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অধ্যাদেশগুলো পাস করার জন্য সংসদে বসবে অতিরিক্ত অধিবেশন, প্রয়োজনে শুক্রবারও দুই বেলা অধিবেশন বসতে পারে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনের বিরতিতে সংসদ ভবনের টানেলে গণমাধ্যমে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সম্ভাব্য ৩৬টি আসন পাবে, যা জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে, সংসদে কার্যকর অংশগ্রহণের সক্ষমতার ভিত্তিতে এবং দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সমাজের সব স্তরের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত মনোনয়ন দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

আরও পড়ুন
সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস, নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম 
প্রাথমিকের দুই লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে স্কুল ড্রেস 

তিনি বলেন, সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অদক্ষ প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া, নির্ধারিত স্পেসিফিকেশনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। এ বিষয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে, চলমান অধিবেশন ব্যাহত না করতে তা অধিবেশন শেষে কার্যকর করা হবে।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম বলেন, আমাদের রাজনৈতিক দর্শন প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতি পরিহারের দর্শন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন- ‌‘আমরা ভালোবেসে মানুষের হৃদয় জয় করবো।’ তারেক রহমান মনে করেন তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের প্রধানমন্ত্রী। যারা তাকে ভোট দিয়েছে এবং ভোট দেয়নি উনি সবারই প্রধানমন্ত্রী। আইনের শাসনের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং কেউ অপরাধী প্রমাণ হলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিচার হবে, দল বিবেচনায় নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না।

চিফ হুইপ আরও উল্লেখ করেন, নতুন এই সংসদে অনেক সদস্যই দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম, কারাবরণ ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছেন। তারা এখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এমওএস/কেএসআর