ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

পশুর হাটে মহিষের ক্রেতা হোটেল ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত: ০৩:০৩ পিএম, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটের অস্থায়ী অংশে প্রতিবারের মতো এবারো অসংখ্য মহিষ এসেছে। গরুর চেয়ে তুলনামূলক বেশি দামও হাকাচ্ছেন বিক্রেতারা। তবে পশুর হাটে মহিষের অধিকাংশ ক্রেতাই হোটেল ব্যবসায়ী। একথা জানালেন খোদ মহিষ বিক্রেতারা।
 
চারদিন আগে সাতক্ষীরার ভোমরা থেকে ২৯টি মহিষ নিয়ে হাটে আসেন ব্যবসায়ী বকুল প্রামাণিক। তিনি জাগো নিউজকে জানান, সবগুলো মহিষই বিক্রি হয়েছে। একজন হোটেল ব্যবসায়ীই এক সঙ্গে কিনেছেন ৮টি মহিষ।  
 
অথচ এযাবতকালে ঢাকার কোন হোটেল কিংবা রেস্টুরেন্টে মহিষের মাংস বিক্রির নজির দেখা যায়নি। ব্যবসায়ীদের মহিষ কেনার ঝোঁক দেখে গরুর মাংসের নামে মহিষের মাংস খাওয়ানোর সন্দেহটা আরো প্রবল হয়।
 
আয়াতুল ইসলাম নামে মহিষের এক ক্রেতা ও খাবার হোটেল ব্যবসায়ী জাগো নিউজকে বলেন, কিমা-কাবাবসহ যেসব খাবারে পরোক্ষভাবে মাংস ব্যবহার হয় সেগুলোতে মহিষের মাংস দেয়া হয়। তবে গরুর মাংস বলে মহিষের মাংস দেয়া হয় না।
 
এদিকে কুরবানির ঈদ কেন্দ্র করে গাবতলীর হাটে এবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিষ উঠেছে। বেপারীরা গরু থেকে মহিষের দাম অনেক বেশি হাঁকছেন।

সরেজমিন দেখা যায়, প্রতিটি মাঝারি থেকে বড় সাইজের মহিষের দাম প্রায় ৯০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা।
 
কুরবানির জন্য মহিষ কিনতে আসা নাজির মোহাম্মদ নামে এক ক্রেতা বলেন, হোটেল ব্যবসায়ীদের চাহিদার কারণে এবার গরু থেকে মহিষের দাম অনেক বেশি।
 
তবে দাম বেশি রাখার বিষয়টি ‘যৌক্তিক’ বলে দাবি করে জাকির মণ্ডল নামে পাবনার মহিষ বিক্রেতা বলেন, সাতক্ষীরা থেকে ১২টা মহিষ ঢাকায় আনতে খরচ হয়েছে ২৬ হাজার। মহাসড়কে চাঁদা দিয়েছি ৫ হাজার। প্রতিবার হাটে কুরবানির ক্রেতা থাকলেও এবারের মহিষের কোন চাহিদা নেই।
 
এআর/এএইচ/আরআইপি