হাওরের দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান গণসংহতির
হাওর অঞ্চলের বন্যাদুর্গত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষকদের জরুরি পুনর্বাসনসহ দুর্গত মানুষের জন্য যথাযথ ত্রাণের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি ও দেশের সর্বস্তরের জনগণকে হাওরের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন গণসংহতির নেতারা।
রোববার হাওরের দুর্গত এলাকা পরিদর্শন শেষে গণসংহতির নেতারা এ আহ্বান জানান।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশীদ নীলু, ফিরোজ আহমেদ, ছাত্র ফেডারেশনের নেতারা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বন্যাদুর্গত অঞ্চলের অধিবাসী আজিজুল, আরাফাতসহ স্থানীয় কৃষক মজুর সংহতির নেতা নেয়ামত ভাইসহ নেতারা হাওরের দুর্গত অঞ্চল পরিদর্শন করেন।
এ সময় তারা কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার শিংপুর ইউনিয়নের সাকিম চর, ঘাঁটি বরাটিয়া এবং পাশবর্তী অন্যান্য গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার পরিদর্শন করেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, হাওর অঞ্চলের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আরও শক্তভাবে দাঁড়ানো দরকার। দুর্যোগ মোকাবেলায় রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সমন্বিত জরুরি উদ্যোগ ও কর্মসূচি চাই। অবিলম্বে সরকার কর্তৃক অঞ্চলগুলোকে দুর্গত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জরুরি পুনর্বাসনসহ দুর্গত মানুষের জন্য যথাযথ ত্রাণের ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি বলেন, অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও কৃষক পরিবারকে জরুরি ঋণ প্রদান করতে হবে। আগামী ফসল না আসা পর্যন্ত নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং অর্থ সহযোগিতা বরাদ্দ অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার পুরো হাওর অঞ্চলের মানুষ ও প্রকৃতির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কোনো অর্থেই নিতে পারেনি, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দেয়নি।
পরিদর্শনকালে নেতারা বলেন, হাওরে এখনও দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হয়নি, তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের অনীহা অব্যাহত থাকে তাহলে দুর্ভিক্ষ হওয়াটা অস্বাভাবিক হবে না। হাওরের ঘটনা এখানেই শেষ না। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে একে মোকাবেলার পথ গ্রহণ না করলে ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে।
এজন্য তারা সর্বস্তরের জনগণকে হাওরের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াবার আহ্বান জানান।
এফএইচ/এসআর