‘হুমকিতে রাখলে জীবন বাঁচাতে পারবো না’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বহির্বিভাগে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে তালা ঝুলিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন ইন্টার্ন ডাক্তাররা। চিকিৎসকদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন তারা।
সরেজমিন ঢামেক বহির্বিভাগে গিয়ে দেখা গেছে, মূল গেটে তালা লাগিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন দাবি।
আসিফ আহমেদ নামে এক ইন্টার্ন ডাক্তার জানান, আমরা মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকি। কিন্তু আমাদের কর্মক্ষেত্রে কোনো নিরাপত্তা নেই। আমাদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে আমরা সুষ্ঠুভাবে চিকিৎসা দিতে পারবো না। উই ক্যাননোট সেভ ইওর লাইফ আন্ডার থ্রেট (হুমকিতে রাখলে আপনার জীবন বাঁচাতে পারবো না)। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হচ্ছে আমরা এভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
জারিন তাসনিম পারিসা নামে আরেক ইন্টার্ন ডাক্তার বলেন, চিকিৎসকদের কাজ রোগীর সেবা করা। কাউকে মেরে ফেলা আমাদের কাজ না। চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীদের কোনো শত্রুতা নেই। একজন রোগী মারা যেতে পারে, এজন্য প্রতিবার ডাক্তাররা লাঞ্ছিত হবে কেন। এভাবে লাঞ্ছিত হলে রোগীদের চিকিৎসা দেবো কিভাবে। আমরা চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।
চিকিৎসকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন রোগীর সঙ্গে দুই জনের বেশি আত্মীয় ঢুকতে না দেয়া, ঢামেকের প্রতিটি প্রবেশপথের নিরাপত্তা জোরদার, চিকিৎসা সুরক্ষা আইনের বাস্তবায়ন, গত রোববার চিকিৎসকের হাত ভেঙে দেয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি ও দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা- এই পাঁচ দাবিতে আন্দোলন করছেন ইন্টার্ন ডাক্তাররা।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২৯ অক্টোবর) এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনরা এক চিকিৎসকের হাত ভেঙে দেয়ার ঘটনা থেকে আন্দোলনের সূত্রপাত। ওই দিন রোগীর স্বজনদের মারধরের শিকার হন পাঁচজন ডাক্তার ও একজন আনসার সদস্য। এর মধ্যে ডা. শামীম গুরুতর আহত হন। তিনি বর্তমানে হাসাপাতালে ভর্তি আছেন।
এআর/এআরএস/পিআর
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ জুডিসিয়াল সার্ভিসের নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার: ২ জনকে কারাদণ্ড
- ২ পোস্টাল ভোট: জামায়াত পেয়েছে ৪৫.৮৮%, বিএনপি ৩০.২৮%
- ৩ পরিকল্পিত জাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখা সম্ভব
- ৪ ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে তিন নারীসহ গ্রেফতার ৪
- ৫ জুলাই সনদ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের