২২ শতাংশ নারী কর্মী কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার
দেশে তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মরত নারী শ্রমিকদের মধ্যে শতকরা ২২ দশমিক ৪ শতাংশ শ্রমিক কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হন।
মঙ্গলবার (৭ মে) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় পেস ক্লাবে ‘তৈরি পোশাক শিল্প কারখানায় নারী শ্রমিকদের যৌন হয়রানি: সংগ্রাম ও উত্তরণের উপায়’ শিরোনামে এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শতকরা ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ নারী কর্মী বলেছেন, তারা কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমিকের প্রতি যৌন হয়রানির ঘটনা দেখেছেন বা শুনেছেন।
যদিও দেশের বৈদেশিক আয়ের ৮০ শতাংশ আসে এই পোশাক শিল্প এবং এখানে কর্মরতদের মধ্যে শতকরা ৭০ জন নারী।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, তৈরি পোশাক কারখানায় ‘যৌন নির্যাতন’ বলতে শতকরা ৭৯ জন নারী ও ৮২ দশমিক ৫৬ জন পুরুষ মনে করেন, ‘‘নারী দেহে অপ্রত্যাশিত স্পর্শই হলো যৌন নির্যাতন”। তাদের মতে, অশ্লীল গালাগালিকে যৌন নির্যাতন বলে মনে করাটা ঠিক হবে না।
কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমিকরা যে ধরনের যৌন হয়রানির শিকার হয়, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪২ দশমিক ৩৩ শতাংশ হচ্ছে ‘কামনার দৃষ্টিতে তাকানো’। এরপর আছে ‘সংবেদনশীল অঙ্গে কোনো কিছু নিক্ষেপ’, যা শতকরা ৩৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং সংবেদনশীল অঙ্গের প্রতি লোলুপ দৃষ্টিতে তাকানো’, যা শতকরা ৩৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ। কাজ বোঝানোর কথা বলার সময় হাত বা শরীর স্পর্শ করার হার শতকরা ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এ ছাড়া আছে বাজে গালি দেয়া, চাকরিচ্যুতির হুমকি, অশোভন অঙ্গভঙ্গি, পদোন্নতির কথা বলে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব ইত্যাদি।
পিডি/জেএইচ/জেআইএম
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিশ্বে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত
- ২ মিরপুরে নির্বাচনি প্রচারপত্র বিলিকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ
- ৩ চট্টগ্রামে ১০ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার, বৈধ প্রার্থী ১১১, বাতিল ২
- ৪ যে বিবেচনায় পূর্বাচলে দুটি নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন
- ৫ পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: সিইসি