ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষকরা কোচিং করাতে পারবেন না : শিক্ষামন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি | মাদারীপুর | প্রকাশিত: ০৯:১৫ পিএম, ০৩ মার্চ ২০২০

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, বিদ্যালয়ের বাইরে বসে কোনো শিক্ষক কোচিং করাতে পারবেন না। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কোচিং সেন্টারে আসতে বাধ্য করে এবং সেখানে না পড়লে তাকে ফেল করিয়ে দেন; এটি কোনোভাবেই চলবে না। শিক্ষকদের এসব কোচিং সেন্টার বন্ধ করতে হবে।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুপুরে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখন বেশির ভাগ মা-বাবা কর্মজীবী। তারা সন্তানদের খুব কম সময় দেন। ছেলে-মেয়েদের কোচিং সেন্টারে পাঠিয়ে দেন তারা। এটা কোচিং বাণিজ্য। আইন করে এসব বন্ধ হবে না, তা আমরা বুঝি। তাই বিদ্যালয়ের মধ্যেই পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোচিং হতে পারে। সবার সচেতনতাই পারে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে।

তিনি বলেন, এ বছর ৬৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা শুরু করেছি। তবে আগামী বছর থেকে সেটা মাধ্যমিক হোক আর মাদরাসা হোক আর সাধারণ হোক; ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা পাবে শিক্ষার্থীরা। নবম ও দশম শ্রেণিতে দুটি কারিগরি বিষয় পড়ানো হবে। তবে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক অন্তত একটি বিষয় কারিগরি বিষয় পড়তে হবে। এর পরের শ্রেণিতে যদি কেউ কারিগরি বিষয় নিয়ে পড়তে না চায় সেও কিন্তু নিজের আত্মকর্মস্থান করতে পারবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সব পর্যায়ে শিক্ষাকে বিশ্বমানে উন্নত করতে হবে। আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো চতুর্থ শিল্পবিপ্লব। আগে যে তিনটি শিল্পবিপ্লব হয়েছে তা থেকে আমার পিছিয়ে ছিলাম। কিন্তু চতুর্থ শিল্পবিপ্লব যেটা অটোমেশিনে, রোবোটিক্সে সেদিক থেকে আমরা অনেক দেশ থেকে এগিয়ে। আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও প্রযুক্তিবান্ধব। তারা সহজেই প্রযুক্তি গ্রহণ করে ও ব্যবহার করতে পারে। প্রযুক্তির প্রতি আমাদের যে আগ্রহ তা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে সফল হতে সহযোগিতা করছে। তবে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে সফল হতে হলে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করতে হবে শিক্ষায়।

বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক তাহমিনা সিদ্দিকী ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী বকুল হোসেন।

এ কে এম নাসিরুল হক/এএম/পিআর