বিজয় দিবসে নাশকতা এড়াতে পুলিশ সজাগ
মহান বিজয় দিবসে (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর অনুষ্ঠানগুলোতে যেকোনো ধরণের নাশকতা এড়াতে সজাগ থাকবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এছাড়া ঢাকার ছোট-বড় সব অনুষ্ঠান নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনারও মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার একান্ত আলাপচারিতায় ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন্স) মীর রেজাউল আলম জাগো নিউজকে এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিজয় দিবসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ ও ডিএমপি সদর দফতরে একটি সমন্বয় সভা হয়েছে। সে অনুযায়ী নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
মীর রেজাউল আলম বলেন, সব কিছুই আমাদের মাথায় রেখে বিজয় দিবসের জন্য নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণের করা হয়েছে। ঢাকার অনুষ্ঠানসমূহে থানাভিত্তিক নিরাপত্তা দেয়া হবে। এছাড়াও যেসব অনুষ্ঠানে যত সংখ্যক ফোর্স দরকার সেখানে সেভাবেই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজধানীবাসী নিশ্চিন্তে বিজয়ের আনন্দে মুখরিত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিন রাজধানীর প্রতিটি অনুষ্ঠানে পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন থাকবে সাদা পোশাকের পুলিশ, মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ, ডিবির স্পেশাল ওয়েপনস অ্যাটাক টিম (সোয়াট) ও র্যাব।
রাজধানীবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে যেকোনো অনুষ্ঠানে ব্যাগ বহন করতে নিরুৎসাহিত করলেন রেজাউল আলম। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে ব্যাগ আনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমি জনসমাগমস্থলে ব্যাগ বহনে নিরুৎসাহী করছি। তবে কেউ যদি বাইরের কোনো অনুষ্ঠানে ব্যাগ বহন করে আনে, নিরাপত্তাবাহিনী সেগুলো নিবিড় তল্লাশি করে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেবে।
মীর রেজাউল আলম বলেন, ১৬ই ডিসেম্বরে ঢাকা মহানগর আমাদের নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে থাকবে। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানসহ প্রতিটি অনুষ্ঠানস্থলে ক্লোজ সার্কিড (সিসি) টেলিভিশন ক্যামেরা লাগানো হবে। সমাবেশস্থলের খুঁটিনাটি বিষয় মনিটর করা হবে। সিসিটিভি লাগানোর কাজে পুলিশের সঙ্গে সহযোগী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও কাজ করবে।
এআর/একে/আরআইপি
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ ৫০ দলের মধ্যে এক শতাংশ করেও ভোট পায়নি ৪৫টি
- ২ শেষ ক্যাবিনেট বৈঠকে ঐতিহাসিক নির্বাচনের জন্য ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত
- ৩ উপদেষ্টারা পতাকাবাহী গাড়িতে শপথ অনুষ্ঠানে যাবেন, পতাকা ছাড়া ফিরবেন
- ৪ দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার ফয়সাল মাহমুদের নিয়োগ বাতিল
- ৫ বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ, বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?