হত্যার ১০ বছর পর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. ইকতার মোল্লাকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন। হত্যাকাণ্ডের ১০ বছর পর বৃহস্পতিবার (১ জুন) রাতে রাজধানীর কদমতলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার (২ জুন) এ তথ্য জানান র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।
আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, ২০১২ সালে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় মোটরসাইকেলচালক মো. শহিদুল ইসলামকে। শহিদুল উপজেলাল ধুলঝুড়ি গ্রামে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এ ঘটনায় দায়ের করা ডাকাতি মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইকতার মোল্লা। দীর্ঘদিন তিনি পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর কদমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার শহিদুল ইসলাম উপজেলার ধুলঝুড়ি গ্রামে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২০১২ সালের ২৭ জুলাই বিকেলে মোটরসাইকেল নিয়ে ভাড়ার উদ্দেশ্যে বের হন তিনি। ওই দিন রাতে দুর্বৃত্তরা শহিদুলকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। পরে তাকে কোনাগ্রাম এলাকার রাস্তা সংলগ্ন পাটক্ষেতে রেখে তার মোটরসাইকেলটি নিয়ে পলিয়ে যায়।
ওই ঘটনায় নিহত শহিদুলের চাচা মো. আাক্কাস শেখ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা পাঁচজনকে আসামি করে ঘটনার একদিন পর ২৮ জুলাই আলফাডাঙ্গা থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালে আদালত ইকতার মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড দেন।
আরএসএম/এমএএইচ/এএসএম
সর্বশেষ - জাতীয়
- ১ হাদির খুনে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত, কাগুজে চার্জশিট মানি না: জাবের
- ২ গণভোটে জনসচেতনতা বাড়াতে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির তাগিদ
- ৩ অচেতন অবস্থায় রাস্তায় পড়েছিল এক নারী, ঢামেকে মৃত্যু
- ৪ ভোটের গাড়ির সংখ্যা ১০টি থেকে ৩০টি হচ্ছে, যাবে ৪৯৫ উপজেলায়
- ৫ নিরাপত্তা বাহিনীর ৭৫ শতাংশ সদস্যের প্রশিক্ষণ শেষ: প্রেস সচিব