ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

নানি-নাতনিকে পেট্রোল দিয়ে পোড়ালো সৎ ভাই

ঢামেক প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৮:৪৩ এএম, ১৯ জুন ২০২৩

গাজীপুরের বাঘের বাজার মিনাপাড়া এলাকায় নানি ও নাতনিকে পেট্রোল দিয়ে আগুনে ঝলসে দিয়েছে সৎ ভাই। এ ঘটনায় দগ্ধ নানি মোছা. বেবি বেগম (৫৫) ও নাতনি মোছা. সানজিদা আক্তার (১০) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের দুজনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রোববার (১৮ জুন) দুপুর একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের দুজনকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধ সানজিদার বাবা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, আমার মেয়ে সানজিদা গাজীপুরের হাজী নুরুল ইসলাম মডেল একাডেমির সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আজ দুপুরে আমার শাশুড়ি ও আমার মেয়ে ক্লাস শেষে পায়ে হেঁটে বাসায় ফেরার পথে আমার সৎ ছেলে শুভ আমার মেয়ে ও শাশুড়ির গায়ে পলিথিনের প্যাকেটে করে পেট্রোল ছুড়ে মারে। তাদের দুজনকে পরে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আমরা খবর পেয়ে দগ্ধ অবস্থায় দুজনকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে, পরে অবস্থার অবনতি হলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জিারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসি।

তিনি জানান, সানজিদা আমার আগের ঘরের মেয়ে। ওর মা মারা যাওয়ার পরে আমি মনিরা নামে এক নারীকে বিয়ে করি। মনিরার ঘরে দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছিল। এই দুই ছেলে আমার কথা শোনে না। তারা নেশাগ্রস্ত। আমি তাদের পরে বাসা থেকে বের করে দেই। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে আমার মেয়ে ও শাশুড়িকে শুভ (এক ছেলে) ও তার সঙ্গে থাকা সাব্বির নামের ওর বন্ধু মোটরসাইকেলে এসে তাদের আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: বিশ্বের সর্ববৃহৎ বার্ন ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. তরিকুল ইসলাম জানান, গাজীপুর এলাকা থেকে এক শিক্ষার্থীসহ এক মহিলা দগ্ধ হয়ে এসেছে। তাদের মধ্যে সানজিদা ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে ও বেবি বেগমের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ। তাদের দুজনকেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি দেওয়া হয়েছে।

দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গাজীপুর এলাকা থেকে নানি ও নাতনি দগ্ধ হয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কাজী আল আমীন/এমএইচআর/জেআইএম