ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

পোশাকশ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা করার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১০:৪১ পিএম, ০১ আগস্ট ২০২৩

পোশাকশ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা করার দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘মজুরি বৃদ্ধিতে গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলন’ ব্যানারে এ আন্দোলন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির আহ্বায়ক তাসলিমা আক্তার লিমা। এতে বক্তব্য দেন গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের শবনম হাফিজ, মাহবুবুর রহমান ইসমাইল। মানববন্ধন পরিচালনা করেন রাজু আহমেদ।

কর্মসূচি থেকে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইপিবির তথ্যানুযায়ী-জুলাই-মার্চ পর্যন্ত প্রচলিত-অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি ১২.১৭ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো- বিশ্ববাজারে এ খাত সুনাম কুড়ালেও দেশের শ্রমিকরা দুনিয়ার সবচেয়ে কম মজুরিতে কাজ করে। তারা দরিদ্রসীমা অতিক্রম করতে পারেননি।

তারা আরও বলেন, এ খাতের উন্নয়ন বা লাভের ভাগিদারও পোশাকশ্রমিকরা হতে পারেননি। চরম সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে চলছে জীবন-জীবিকা। এ অবস্থায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন ন্যূনতম ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

কর্মসূচি থেকে পোশাকশ্রমিকদের বেতন বাড়ানোসহ ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। তাদের দাবিগুলো হলো-

>> অবিলম্বে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা ঘোষণা করতে হবে এবং ৬০ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা দিতে হবে।

>> গ্রেড চুরি বন্ধে অপারেটরদের দুটি গ্রেড নির্ধারণ করতে হবে। সব গ্রেডে একই হারে মজুরি বাড়াতে হবে।

>> সোয়েটার ও পিস রেটে কর্মরত শ্রমিকদের কাজের আগে মজুরি নির্ধারণ ও ডাল সিজনে পূর্ণ বেসিক দিতে হবে। সোয়েটারে তিন শিফট ও ওভারটাইম নিশ্চিত করতে হবে।

>> ইপিজেড-ইপিজেডের বাইরে সবখানে সমান হারে মজুরি বৃদ্ধি ও মূল মজুরির ১০ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দিতে হবে। বাধ্যতামূলক অংশীদারত্বমূলক প্রভিডেন্ট ফান্ড চালু করতে হবে।

>> দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে চাল, ডাল, তেল, শিশখাদ্যসহ নিত্যপণ্য রেশন কার্ডের মাধ্যমে বিতরণের লক্ষ্যে স্থায়ীভাবে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। শ্রমিকদের জীবন বীমা, চিকিৎসা, শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতে সরকার ও মালিকপক্ষকে উদ্যোগ নিতে হবে।

>> শ্রমিক ছাটাই, মিথ্যা মামলা-হামলা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। ধর্মঘট নিষিদ্ধকরণের অত্যাবশ্যক পরিষেবা বিল ২০২৩ বাতিল করতে হবে।

>> শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে মালিক ও সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

এএএইচ/এমআইএইচএস