দক্ষিণ কোরিয়ার মুসলিম স্থাপনা সিউল কেন্দ্রীয় মসজিদ

প্রকাশিত: ০৫:৩৫ পিএম, ১৯ মে ২০১৯, আপডেট: ০১:৩২ পিএম, ১৭ জুন ২০১৯

উত্তর-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। রাজধানী সিউল। দেশটির বৃহত্তম শহরও এটি। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ধনী শহরের তালিকায় সিউল একটি। সিউল কেন্দ্রীয় মসজিদের মিনার দু’টি মুসলিম স্থাপত্যের প্রতীক হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

কনফুসীয় ও খ্রিস্টান ধর্মগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির মোট জনসংখ্যার ৫২ শতাংশ মানুষ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী, ২০ শতাংশ খ্রিস্টান এবং ২৫ শতাংশের বেশি জনসংখ্যা নির্দিষ্ট কোনো ধর্মে বিশ্বাসী নয়।

কনফুসীয় ও খ্রিস্টান ধর্মগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির মোট জনসংখ্যার ৫২ শতাংশ মানুষ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী, ২০ শতাংশ খ্রিস্টান এবং ২৫ শতাংশের বেশি জনসংখ্যা নির্দিষ্ট কোনো ধর্মে বিশ্বাসী নয়।

দেশটিতে ৭০ হাজার মানুষ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। আর শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত রয়েছে দেড় লাখ মুসলিম। ১০২৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে দক্ষিণ কোরিয়া আরব ধর্ম প্রচারকদের প্রচেষ্টায় ইসলামের প্রচার ও প্রসার শুরু হয়।

দেশটিতে ৭০ হাজার মানুষ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। আর শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত রয়েছে দেড় লাখ মুসলিম। ১০২৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে দক্ষিণ কোরিয়া আরব ধর্ম প্রচারকদের প্রচেষ্টায় ইসলামের প্রচার ও প্রসার শুরু হয়।

মুসলমানদের ধর্ম পালনে দক্ষিণ কোরিয়া রয়েছে ১৭টি মসজিদ। ৬টি ইসলামিক সেন্টার। আর মসজিদ ছাড়াও দেশটির ১১০টি স্থানে নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে।

মুসলমানদের ধর্ম পালনে দক্ষিণ কোরিয়া রয়েছে ১৭টি মসজিদ। ৬টি ইসলামিক সেন্টার। আর মসজিদ ছাড়াও দেশটির ১১০টি স্থানে নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের বরাদ্দ দেয়া জমি মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার গড়ে ওঠে ১৯৬৯ সালে। এর এটিই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার। সিউল কেন্দ্রীয় মসজিদটিই দক্ষিণ কোরিয়ার বুকে ইসলামের ঐতিহ্য বহন করে আছে।

দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের বরাদ্দ দেয়া জমি মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার গড়ে ওঠে ১৯৬৯ সালে। এর এটিই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার। সিউল কেন্দ্রীয় মসজিদটিই দক্ষিণ কোরিয়ার বুকে ইসলামের ঐতিহ্য বহন করে আছে।

আরও