ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. রাজনীতি

আবু সুফিয়ান

কারও পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম | প্রকাশিত: ০৮:৪৪ পিএম, ০১ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, ধর্ম মানুষকে আলোর পথ দেখায়। ধর্ম অন্যায়, অবিচার ও অন্ধকারের পথ থেকে বিরত থাকতে শিক্ষা দেয়। সব ধর্মের মূল বাণী হচ্ছে মানবকল্যাণ।

তিনি বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে কেউ যাতে সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অনাচার সৃষ্টি করতে না পারে- সে ব্যাপারে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

বুধবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার ৩৩নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের শিববাড়ি লেইনে শারদীয় দুর্গাপূজার নবমী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি ফিরিঙ্গীবাজার, পাথরঘাটা ও চকবাজার, ৬নং পূর্ব ষোলশহর ও চান্দগাঁও ওয়ার্ডের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

আরও পড়ুন
আওয়ামী লীগকে নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য বিশ্বাসঘাতকতার শামিল 
বিএনপি বিশ্বাস করে— ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: তারেক রহমান 

আবু সুফিয়ান বলেন, পতিত আওয়ামী লীগ সব সময় সাম্প্রদায়িক ও বিভাজনের রাজনীতি করেছে। তারা সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু বিভাজন করে দেশকে সব সময় ব্যস্ত রাখতো। এখনো তারা সংখ্যালঘু কার্ড ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে। কিছুদিন ধরে পার্বত্য এলাকা অশান্ত করার চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, বিএনপি গণমানুষের দল। বিভেদ বা বিভাজনের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাসী নয়। আমরা সবার ধর্মীয় অধিকার ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী। পাহাড় কিংবা সমতলে সব জায়গায় আমরা সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। এই দেশ পাহাড়ি-বাঙালি, হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবার। আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কারও উসকানি বা পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না। দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত আমরা একত্রিত হয়ে প্রতিহত করবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক সাদেকুর রহমান রিপন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ, সদস্য সচিব জাহেদ আহমেদ, চান্দগাঁও থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, বাবু দত্ত, রাজকুমার প্রমুখ।

এমআরএএইচ/কেএসআর/জিকেএস