পদ্মায় ডুবলো যাত্রীবাহী বাস, ‘কর্তৃপক্ষের অবহেলা’ দেখছেন মির্জা ফখরুল
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর/ফাইল ছবি
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে অর্ধশত যাত্রী নিয়ে পদ্মা নদীতে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ‘কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অমনোযোগিতা’ রয়েছে বলে মনে করছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নদীতে বাস ডুবে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে তিনি উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ীদের খুঁজে বের করার বিষয়ে জোর দিয়েছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দেশজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। এতে অসংখ্য হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অমনোযোগিতার কারণে এ ধরনের প্রাণহানি ঘটছে। আগে থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করা হলে ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো।
আরও পড়ুন
দুই মরদেহ ও জীবিত একজনকে উদ্ধার, তিনজনই নারী
উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
এর আগে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের ঢাকামুখী একটি বাস নদী পাড়ি দিতে দৌলতদিয়া ঘাটের পন্টুনে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় রাত ৮টা পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, সৌহার্দ্য পরিবহন নামের ওই বাসটি দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরবাস টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। বাসটিতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। তবে ঘাটে আসার পর যাত্রীদের কেউ কেউ বাস থেকে নেমে যান। ফলে ডুবে যাওয়ার সময় বাসের ভেতরে ঠিক কতজন যাত্রী ছিল তা নিশ্চিত করে জানা যায়নি।
কেএইচ/এমকেআর