ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. রাজনীতি

আব্দুল্লাহ তাহের

অতীতের মতো পাতানো নির্বাচন হবে কি না শঙ্কা তৈরি হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০২:৫২ পিএম, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

আগামী নির্বাচন অতীতের পাতানো নির্বাচনগুলোর মতো হবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেছেন, গত এক-দুই সপ্তাহ ধরে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে আনুগত্য দেখাচ্ছে এতে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বুধবার (৭ জনিুয়ারি) সকালে ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, আমরা মনে করি এ ধরনের পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আমরা বলেছি, বাংলাদেশে একটা স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। বিগত ৫৫ বছরে বাংলাদেশে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা উত্তরণের জন্য প্রয়োজন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। যদি আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হয় তাহলে ক্রাইসিস শেষ হবে না বরং ক্রাইসিস আবার নতুন করে তৈরি হবে, সংকট আরও গভীরতর হবে, এ আশঙ্কার কথা আমরা তাদের স্পষ্টভাবে বলেছি।

আমরা নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি তারা যেন এখনই এ ব্যাপারে সতর্ক হয়ে বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা পালন করেন।

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আমাদের বলেছে, আগামী নির্বাচনে তারা পর্যবেক্ষক পাঠাবেন এবং এ ব্যাপারে আমরা তাদের স্বাগত জানিয়েছি। আমরা তাদের বলেছি আমরা যদি ক্ষমতায় যাই তাহলে সম্মিলিতভাবে সরকার পরিচালনার পরিকল্পনা করবো ও দেশি-বিদেশি সব স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভূমিকা পালন করবো ইনশাআল্লাহ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আমাদের বলেছে, তারা এ বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। তারা আশা করছে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমরাও তাদের আশ্বস্ত করেছি নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হওয়ার জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন জামায়াতে ইসলামী সেটা করবে এবং সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে।

আরএএস/এসএনআর/এমএস