হাদি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদনে অনেক অস্পষ্টতা রয়েছে: ইনকিলাব মঞ্চ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের/ছবি: সংগৃহীত
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে অনেক অস্পষ্টতা রয়েছে বলে দাবি করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটির দাবি, মামলার মূল আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে এবং হত্যার পরিকল্পনাকারীদের সম্পর্কে কোনো তথ্য চার্জশিটে (অভিযোগপত্র) উল্লেখ করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এসব দাবি করা হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। সংবাদ সম্মেলন থেকে আগামীকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর সারাদেশে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, হাদির এই হত্যাকাণ্ডকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। চার্জশিটে শুধুমাত্র ফয়সাল করিম মাসুদকে দিয়ে শুরু করা হয়েছে। আমরা আগে যা জানতাম তার বাইরে নতুন কিছু তদন্তে আসেনি।
জাবের বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি গত ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর শাহবাগ থানায় একটি জিডি করেছিলেন। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, তিনি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নম্বর থেকে কল করে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ওনাকে (হাদি) হত্যার পরে শাহবাগ থানা প্রথমে এই জিডির কথা অস্বীকার করেছিল। পরবর্তীতে আমাদের কাছে জিডির কপি থাকায় তারা তা স্বীকার করে। জিডিতে একটি নম্বর ভুলক্রমে অন্তর্ভুক্ত হলেও আজ পর্যন্ত শাহবাগ থানা থেকে ওই নম্বরে তদন্তের জন্য কোনো ফোন দেওয়া হয়নি।
মামলার ক্ষেত্রেও তথ্যগত হয়রানির শিকার হতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাত ১২টার সময় গোয়েন্দা সংস্থা ফোন করে সিসিটিভি ফুটেজ চায়। এছাড়া মামলার বাদী হওয়ার পরও আজ পর্যন্ত থানা থেকে মামলার কোনো কপি সরবরাহ করা হয়নি। আসামির অবস্থান নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি করা হয়েছে; কখনো বলা হয়েছে আসামি ভারতে, কখনো ঢাকায়, আবার কখনো মেঘালয়ে।
এমএইচএ/এমএমকে/জেআইএম
সর্বশেষ - রাজনীতি
- ১ ঈদযাত্রায় লঞ্চ ও ট্রেন দুর্ঘটনা ‘দুর্বল তদারকির প্রতিফলন’
- ২ সরকার-দল আলাদা পথেই চলবে, শিগগির কাউন্সিল: ফখরুল
- ৩ জুলাই সনদের যেসব বিষয়ে বিএনপি একমত হয়েছিল, সেগুলো সরকার বাস্তবায়ন করবে
- ৪ গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারকে ঈদ উপহার পাঠাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ৫ নতুন ধারার নেতৃত্বে তারেক রহমান, প্রথম মাসেই স্পষ্ট বার্তা