ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. রাজনীতি

মাহদী আমিন

যে কোনো ঘটনায় তারেক রহমানের নাম জড়ানো ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির প্রতিফলন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১২:০৩ এএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীর পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় তারেক রহমানের নাম জাড়ানো নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, কোনো তথ্য ছাড়াই সরাসরি যে কোনো ঘটনায় তারেক রহমানের নাম জড়িয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতিরই প্রতিফলন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ঢাকা-৮ আসনের এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনি প্রচারণার বিধিসম্মত সময়ের অনেক আগেই ভোট চাইতে শুরু করেছিলেন। তার কথাবার্তা ও আচরণে যে ঔদ্ধত্য এবং প্রচারে থাকার জন্য যে মুখরোচক বক্তব্য, তা সবার নজরে পড়েছে।

এরপর তিনি লেখেন, দেশি-বিদেশি মানুষের সামনে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদগার, কখনো ভোটারের সঙ্গেই আক্রমণাত্মক আচরণ, আবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে ক্রমাগত মিথ্যাচার, এস বই হয়তো ভাইরাল হওয়ার কৌশল!

তিনি আরও লেখেন, বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে অবিরত অশালীন আচরণ করা সত্ত্বেও, তিনি যথেষ্ট ধৈর্যশীলতার পরিচয় দিয়েছেন এবং ইতিবাচকভাবেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দুঃখজনক বিষয় হলো, আজ পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়েছে, যেমনটি এর আগেও ঘটেছিল বলে আমরা দেখেছি। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই কোনো ধরনের প্রমাণ, তদন্ত বা সাক্ষ্য ছাড়াই, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দাবি করে বসেন যে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমর্থনে এবং মির্জা আব্বাসের নির্দেশে ছাত্রদল ডিম মেরেছে।

jagonews24.com

পোস্টে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা লেখেন, যেই হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে ঘটনাটি ঘটেছে, সেই কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, এমনকি ঢুকতেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বাধা দিয়েছিল। দাওয়াত না থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন এত বহিরাগত লোক নিয়ে প্রবেশ করলেন, যাওয়ারই কথা না অথচ তার জন্য কারা ডিম রেডি রাখলো বা মারামারি করলো এবং এই ঘটনার সঙ্গে তারেক রহমান, মির্জা আব্বাস বা ছাত্রদলের সম্পর্কই বা কী, সেটি বিরাট রহস্য।

শেষে তিনি লেখেন, কোনো তথ্য ছাড়াই সরাসরি যে কোনো ঘটনায় তারেক রহমানের নাম জড়িয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতিরই প্রতিফলন। ফ্যাসিবাদী আমলে শেখ হাসিনা ও অন্যরা নিয়মিত এ ধরনের আচরণ করতো এবং শেষ পর্যন্ত তারা কীভাবে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে জনরোষের শিকার হয়েছে, এটি অজানা নয়।

নির্বাচন যেন অযৌক্তিক নাটকীয়তার মঞ্চে পরিণত না হয়, সে ব্যাপারে সবার সচেতন থাকা উচিত বলে লেখেন তিনি।

কেএইচ/এএমএ