ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. রাজনীতি

মামুনুল হক বিজয়ী হলে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৬:৪১ পিএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আল্লামা মামুনুল হক বিজয়ী হলে তাকে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আল্লামা মামুনুল হক বিজয়ী হলে এলাকাবাসী একজন মর্যাদাবান মন্ত্রী পাবেন ইনশাল্লাহ।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে কিছু সরকারি কর্মকর্তা ভোট কারচুপি করে একটি পক্ষকে জেতাতে চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন জামায়াত আমির।

জামায়াত আমির বলেন, ভোট কারচুপির উদ্দেশ্যেই কেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজকের মধ্যে এই বিধি বাতিল না করলে কালকেই জড়িত এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে জামায়াতসহ ১১ দল। স্বৈরাচারের এসব দোসর অতীতে ক্ষমা পেলেও এবার পার পাবে না। নির্বাচনে ভরাডুবির হতাশা থেকেই চোরাই পথে ক্ষমতায় আসার পাঁয়তারা চলছে। জনগণকে সতর্ক পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতে হবে।

মামুনুল হকের জন্য ভোট চেয়ে জামায়াত আমির বলেন, ঢাকা-১৩ আসনে রিকশাই ১১ দলের প্রতীক, জনগণের প্রতীক। এটি জুলাই আকাঙ্ক্ষার প্রতীক, তরুণ প্রজন্ম ও নারী সমাজের প্রতীক এবং আধিপত্যবাদবিরোধী প্রতীক। আপনারা আল্লামা মামুনুল হককে রিকশা মার্কায় ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন। আল্লাহর রহমত ও জনগণের ভালোবাসায় ১১ দল বিজয়ী হলে ঢাকা-১৩ আসনবাসী একজন সাহসী ও মর্যাদাবান অভিভাবক পাবেন ইনশাল্লাহ।

সমাবেশে মামুনুল হক বলেন, আমাকে বিজয়ী করে সংসদে পাঠালে আমি সেখানে কোরআনের কথা বলার চেষ্টা করবো। আমি নির্বাচিত হলে আর কোনো মায়ের সন্তানকে মাদকের করাল গ্রাসে ধ্বংস হতে দেব না। আপনাদের একটি মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ঢাকা-১৩ আসন উপহার দেব।

jagonews24

প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘একটি দল মোহাম্মদপুরের মতো জায়গায় এমন একজন প্রার্থী দিয়েছে যিনি পারিবারিকভাবে একজন অস্ত্র ব্যবসায়ীর ছেলে। তাকে প্রার্থী করে মোহাম্মদপুরকে আবারও সন্ত্রাস ও গুন্ডামির এলাকায় পরিণত করার চেষ্টা করা হলে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, ইলেকশন কমিশন বলেছে, ভোট কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে নাকি মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। ইলেকশন কমিশন কোন জায়গা থেকে এই আইন প্রণয়ন করেছে আমরা জানি না। কার প্ল্যান অনুযায়ী ইলেকশন কমিশন কাজ করছে তা জনগণের সামনে স্পষ্ট হচ্ছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি, আজ সন্ধ্যার মধ্যে দিনের আলো থাকতে থাকতে এই আইন পরিবর্তন করতে হবে। ইলেকশনের দ্বারপ্রান্তে এসে মিডিয়া ব্ল্যাকআউট করার এই আইন বরদাশত করা হবে না।

ঢাকা-১৩ নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির মাওলানা মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, নায়েবে আমির মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মোবারক হুসাইন, ঢাকা মহানগর উত্তরের শুরা সদস্য শাফিউর রহমান, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আকরাম হোসাইন, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মিনহাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা তাওহীদুজ্জামান, ঢাকা-১৩ আসনের ১১ দলীয় লিয়াজোঁ কমিটির আহ্বায়ক মুফতি আশরাফুজ্জামানসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।

আরএএস/এমআইএইচএস