শেখ হাসিনার অধীনে আর কখনোই নির্বাচন নয় : রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, যে নির্বাচনে মধ্যরাতের আগেই ব্যালট বাক্স পূর্ণ হয়ে যায়, ব্যালট পেপার ধানক্ষেতে পাওয়া যায়, সেই নির্বাচন আর হবে না।
তিনি বলেন, আগামীতে অবাধ, সুষ্ঠু এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচনই হবে। আর তা সহায়ক সরকারের অধীনেই হবে। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন আর কখনোই হবে না, হতে দেয়া হবে না।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে একথা বলেন রিজভী। ‘বরকত উল্লাহ বুলু মুক্তি পরিষদ’ এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, আবারও ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করার সেই সুযোগ বাংলার মাটিতে শেখ হাসিনা পাবে না। অচিরেই তার বিদায় ঘণ্টা বাজবে। এখন কীভাবে বিদায় নেবেন আওয়ামী লীগকে সেটাই ভাবতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যদি তারা মনে করেন লোক দিয়ে, পুলিশ দিয়ে, বন্দুক দিয়ে আবারও ৫ জানুয়ারির মত নির্বাচন করবেন, তাহলে তাদের সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। সহায়ক সরকার বা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে স্বত:স্ফূর্তভাবে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের কড়া সমালোচনা করে রিজভী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহাবিপর্যয়ে রয়েছে। সেখানে ৫ সেনা সদস্যসহ ১৫৩ জনের লাশ পাওয়া গেছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বিদ্যুৎ নেই। আর প্রধানমন্ত্রী লাল গালিচা সংবর্ধনা নিচ্ছেন সুইডেনে। কি বিচিত্র এই দেশ !
তিনি বলেন, ডাকাত বা অপরাধীরা ক্ষমতায় থাকলে ভদ্রলোক, ভাল লোকদের কারাগারে থাকতে হয়। আর এই কারণে বরকত উল্লাহ বুলু কারাগারে। তার নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানান তিনি।
সংগঠনের সভাপতি মাসুদ রানার সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন আরমান, ট্রেড ইউনিয়ন নেতা আব্দুল মান্নান খান, শাহবাগ থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন সোহেল, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান মাসুদ প্রমুখ
এমএম/এমএমজেড/পিআর
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - রাজনীতি
- ১ ১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি, এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে
- ২ সংসদের নেতিবাচক সংস্কৃতি মুছে ফেলতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ
- ৩ এক দলের জায়গায় আরেক দল বসেছে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি: নাহিদ
- ৪ সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানার বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জামায়াতের
- ৫ অন্তর্বর্তী সরকার কোনো চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি