‘প্রধান বিচারপতি আরও একটি উপকার করতে পারেন’
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে প্রধান বিচারপতি জনগণের একটি উপকার করেছেন। বর্তমান অবৈধ সংসদ ভেঙে দেয়া উচিৎ, এমন কোনো রায় দিয়ে তিনি আরও একটি উপকার করতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
শুক্রবার দুপুরে ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি আয়োজিত ‘ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ও গণতান্ত্রিক যাত্রা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় অতীতের সব সংসদ নির্বাচনের মতো আগামী জাতীয় নির্বাচনেও সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান হাফিজ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোনো রাজনৈতিক দলের নয়। অতীতে এ দেশের প্রতিটি সংসদ নির্বাচনেই সেনাবাহিনী মোতায়েন ছিল। শুধু মাত্র ছিল না ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির তথাকথিত অবৈধ নির্বাচনে।
হাফিজ বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী না থাকলে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো আবারও দুর্বৃত্তরা লাঠি, রামদা হাতে ভোট কেন্দ্রে সাধারণ মানুষের উপর হামলা করবে। তাই আগামী নির্বাচনের ২ মাস আগেই দেশে সেনা মোতায়েন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশে এখন একটি নির্বাচন কমিশন আছে যাকে অত্যন্ত চাতুরতার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে গঠন করা হয়েছে। এখন তারা যে বক্তব্য দিচ্ছে, তার মাধ্যমে তাদের আসল চরিত্র ফুটে উঠছে।
বিচার বিভাগ ও প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরূপ মন্তব্যেরও কড়া সমালোচনা করেন হাফিজ। তিনি বলেন, এই সরকার বিচারপতি অপসারণের ভার সংসদের হাতে নেয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।
কল্যাণ পার্টির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম-এর সভাপতিত্বে সভায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আজাদ মাহবুব প্রমুখ।
এমএম/জেএইচ/পিআর
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - রাজনীতি
- ১ ১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি, এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে
- ২ সংসদের নেতিবাচক সংস্কৃতি মুছে ফেলতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ
- ৩ এক দলের জায়গায় আরেক দল বসেছে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি: নাহিদ
- ৪ সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানার বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জামায়াতের
- ৫ অন্তর্বর্তী সরকার কোনো চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি