‘সব পরাজয় পরাজয় নয়, সব জয় জয় নয়’
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনার অধীনে যে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না, তার প্রমাণ ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে পাওয়া গেছে। সব পরাজয়, পরাজয় নয়, সব জয়, জয় নয়। কারণ পলাশিতে সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হয়েছিল কিন্তু সারাবিশ্বের মানুষ তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছিলেন।
মঙ্গলবার রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম এই সমাবেশের আয়োজন করে।
মোশাররফ বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে সেটা নিরপেক্ষ হয় না। তাই আমাদের নেত্রী তত্ত্বাবধায়ক সরকারবস্থা সংবিধানে সন্নিবেশিত করেছিলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সরকারকে স্বৈরাচারী সরকার হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
তিনি বলেন, এই সরকার ও পার্লামেন্ট জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। আওয়ামী লীগ সরকার বিচারবিভাগকে আগেই ধ্বংস করে দিয়েছে। যেটা ছিলে তাদের পরিকল্পনা। তারা রাষ্ট্রের প্রধান তিনস্তম্ভকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
‘এই স্বৈরাচার সরকারের আমলে দেশের কোনো চেইন অব কমান্ড নাই। এ জন্য দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে। জনগণকে ১০ টাকা করে চাউলের কথা বলে এবং বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তারা জনগণকে ঠকিয়েছেন। তারা জনগণের সঙ্গে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে প্রতারণা করেছে’,-বলেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।
তিনি বলেন, একটা শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশের জনগণ। এই সরকার যদি জনগণের সরকার হতো তাহলে দেশের মানুষের সাথে এমন করতো না। গত ৯ বছরে জনগণ যেভাবে প্রতারিত হয়েছে তাতে ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দিয়ে দেবে।
সংগঠনের উপদেষ্টা নাছির উদ্দিন হাজারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলম।
এইউএ/জেডএ/আরআইপি
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - রাজনীতি
- ১ ১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি, এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে
- ২ সংসদের নেতিবাচক সংস্কৃতি মুছে ফেলতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ
- ৩ এক দলের জায়গায় আরেক দল বসেছে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি: নাহিদ
- ৪ সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানার বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জামায়াতের
- ৫ অন্তর্বর্তী সরকার কোনো চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি