আটক শিক্ষার্থীদের ঈদের আগেই মুক্তির দাবি
সরকার গুজবের অজুহাতে শিক্ষার্থীদের আটক করে যৌক্তিক আন্দোলন বন্ধের অপচেষ্টা করছে। একদিকে তারা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ন্যায্য বলছে, অন্যদিকে আটক করে রিমান্ডে নিচ্ছে।
হামলা, মামলা চালিয়ে শিক্ষার্থীদের আটকে রাখা যাবে না। অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী।
শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন যুক্ত হয়ে প্রতিবাদ সভায় তারা এমন দাবি জানান।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী বলেন, সরকার শিশু-কিশোরদের আন্দোলনকে বাহবা দিয়ে, আবার গুজবের নামে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে নির্যাতন করছে। এটা ঠিক নয়।
তিনি বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ব্যাগ নিয়ে রাস্তায় নামে। তারা দেখিয়ে দিয়েছে, কীভাবে নিরাপদ সড়ক তৈরি করা সম্ভব। আইন-শৃঙ্খলা মেনে বৈধচালক দিয়ে এই সীমিত রাস্তায়ও সুষ্ঠুভাবে যান চলাচল সম্ভব।
অথচ শিশুদের ওপর হেলমেট বাহিনী হামলা চালিয়ে এ আন্দোলন বন্ধের চেষ্টা চালায়। তার প্রতিবাদে সরকারি-বেসরকরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামলে তাদের আটক করে পুলিশ রিমান্ডে নেয়।
গুজব ছড়ানোর নামে আলোকচিত্র শহিদুল আলমসহ বিভিন্ন শিক্ষার্থীকে আটক অব্যাহত রেখেছে।
শহিদুল আলমকে মুক্তি দাবি জানিয়ে সাকী বলেন, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ করে কেউ বেশি দিন ক্ষমতায় টিকে ধাকতে পারেনি। এই সরকারও পারবে না। দ্রুত সবাইকে মুক্তি দিতে হবে।
বক্তারা বলেন, সাধারণ জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক। নানা অজুহাতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আটক করে অন্যায়ের প্রতিবাদ বন্ধ রাখা যাবে না।
এর প্রমাণ স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীরা দিয়েছে। সরকারের উচিৎ সেখান থেকে শিক্ষা নেয়া। যদি তাতেও তাদের শিক্ষা না হয়, তবে সারাদেশের সব শিক্ষার্থীরা একযোগে রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।
বিকেল থেকে স্লোগান, ফেস্টুন, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে আলাদাভাবে মিছিল নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এসে সমাবেত হয় ছাত্রদের কয়েকটি সংগঠন।
গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাসদ, সিপিপি, বাসদ মার্কবাদী, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনসহ কয়েকটি দল যুক্ত হয়ে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী-রাজনৈতিক ব্যক্তিরা বিক্ষোভ ও জনসভায় অংশগ্রহণ করে।
এমএইচএম/এমআরএম/এমএস
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - রাজনীতি
- ১ উত্তরায় জামায়াতের উদ্যোগে ইচ্ছামতো কেনাকাটার সুযোগ পেলেন ২৫ জন
- ২ সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সুযোগ নিয়ে কোথাও প্রভাব বিস্তার করা যাবে না
- ৩ ১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি, এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে
- ৪ সংসদের নেতিবাচক সংস্কৃতি মুছে ফেলতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ
- ৫ এক দলের জায়গায় আরেক দল বসেছে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি: নাহিদ