গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের পথ ধরেই এগুতে হবে : মেনন
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলনীতির অন্যতম হচ্ছে গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র। গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের পথ ধরেই এগুতে হবে। এছাড়া অন্য পথে বাংলাদেশে মানুষে মানুষে এই যে প্রকট বৈষম্য, তা দূরীকরণ সম্ভব নয়।
সোমবার ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মহামতি কার্ল মার্কস-এর ২০১তম জন্মবার্ষিকী ও ১৩২তম মে দিবস পালন উপলক্ষে পার্টির কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
মহানগর পার্টির সভাপতি আবুল হোসাইন এতে সভাপতিত্ব করেন। সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য বিমল বিশ্বাস, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. সুশান্ত দাস, মহানগর নেতা শাহানা ফেরদৌসি লাকী। কবিতা আবৃত্তি করেন মোস্তফা আলমগীর রতন। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়।
মেনন বলেন, শুধু সমাজতন্ত্রের সঙ্কট নয়, বিশ্ব পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের সঙ্কট বুঝতে হলে মার্কসের কাজ থেকে দীক্ষা নিতে হবে। বর্তমান নয়া উদারনৈতিক অর্থনীতির ফলে মানুষে মানুষে যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে, তা বুঝতে হলে মার্কসের কাছে ফিরে যেতে হবে। বৈষম্য দূর করতে কার্ল মার্কস থেকে শিক্ষা-দীক্ষা নিয়ে অর্থনীতিকে ঢেলে সাজাতে হবে। এছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। মার্কস আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়েছেন।
তিনি বলেন, নয়া উদারবাদী অর্থনীতি ধারা বাংলাদেশকে গভীর সঙ্কটের মধ্যে ফেলে দেবে। বিদ্যমান নয়া উদারবাদী অর্থনীতির ফলে এক লুটেরা ধনীক শ্রেণি তৈরি হচ্ছে, যাদের মধ্যে স্বদেশ প্রেম বলতে কিছু নেই। তারা দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করতে দ্বিধা করে না। এই লুটেরা ধনীক শ্রেণির বিরুদ্ধে দেশের গরিব-মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে সুদৃঢ় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। এই ঐক্যে শ্রমিক শ্রেণিকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এতে কৃষক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণী যুক্ত হলে দেশের অবস্থা পাল্টে যাবে।
এফএইচএস/এমএসএইচ/পিআর
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - রাজনীতি
- ১ ১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি, এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে
- ২ সংসদের নেতিবাচক সংস্কৃতি মুছে ফেলতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ
- ৩ এক দলের জায়গায় আরেক দল বসেছে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি: নাহিদ
- ৪ সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানার বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জামায়াতের
- ৫ অন্তর্বর্তী সরকার কোনো চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি