আওয়ামী লীগ যেন আওয়ামী লীগের শত্রু না হয়
যোগ্যতার সঙ্গে দলীয় আনুগত্যের প্রতি গুরুত্বারোপ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ যেন আওয়ামী লীগের শত্রু না হয়।
শনিবার (১৫ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ সাংগঠনিক সভায় দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগে যোগ্য ব্যক্তির অভাব নেই। কিন্তু যোগ্যতার সঙ্গে দলের প্রতি আনুগত্যের প্রয়োজন। নিজেদের মধ্যে কলহ-বিদ্রোহ যেন না হয়।
তিনি বলেন, একটা বিষয়ে আমি খুব কষ্ট পাই, যখন দলের নেত্রী, অভিভাবক, বঙ্গবন্ধুর কন্যা স্বাক্ষরিত কোনো বিষয় আপনারা শৃঙ্খলার সঙ্গে মেনে নিতে ব্যর্থ হন। ৭৫ পরবর্তীকালে শেখ হাসিনার মতো বিচক্ষণ নেতা আর আসেনি। সেই নেতা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এই সুযোগকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) মনোনয়নপত্রে সই করেছেন, সেই মনোনয়ন নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো দ্বিধাগ্রস্ততা থাকা ঠিক নয়। যদি থাকে, সেটা দলের প্রতি আনুগত্যের প্রমাণ বহন করে না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে যোগ্য ব্যক্তির অভাব নেই। কিন্তু যোগ্যতার সঙ্গে দলের প্রতি আনুগত্যের প্রয়োজন। যদি একটু ঘাটতি হয়, সেখানে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারছি না। মনে রাখতে হবে আওয়ামী লীগ এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘এ ন্যাচারাল পার্টি অব গভর্মেন্ট’।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ মানেই পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহানুভূতি। হৃদয়ের অফুরন্ত ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবাহান গোলাপ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
এইউএ/এমএমজেড/এমকেএইচ
আরও পড়ুন
সর্বশেষ - রাজনীতি
- ১ ১৮ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছি, এখন মূল্যায়ন না হলে কষ্ট লাগে
- ২ সংসদের নেতিবাচক সংস্কৃতি মুছে ফেলতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ
- ৩ এক দলের জায়গায় আরেক দল বসেছে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি: নাহিদ
- ৪ সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানার বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জামায়াতের
- ৫ অন্তর্বর্তী সরকার কোনো চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি