পরীক্ষিত ত্যাগী নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে হবে নতুন কমিটি : কাদের
ফাইল ছবি
পরীক্ষিত, ত্যাগী, নবীন-প্রবীণ নেতাদের সমন্বয়ে আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি গঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বুধবার (২ অক্টোবর) সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যে সব ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ, সেগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিক কমিটি হবে। প্রথমত যেগুলো বেশি মেয়াদ উত্তীর্ণ অর্থাৎ ২০১২ সাল এবং তার আগের সেগুলোর কমিটি আগে হবে। আমাদের টার্গেট ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করব। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন জেলায় নেতারা সফরে যাচ্ছেন। ২১ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার দিয়ে আমি সফর শুরু করেছি। জেলাভিত্তিক প্রতিনিধি সম্মেলন হচ্ছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটিগুলোর সম্মেলন তারিখ নির্ধারণ করাটাই মূল উদ্দেশ্য।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সম্মেলন মানেই নেতৃত্বের কিছু পরিবর্তন আসবে, নতুন মুখ আসবে। পারফরমেন্সের ভিত্তিতে এবার নির্বাহী কমিটি সাজানো হবে। নেত্রীর সঙ্গে আলাপ করে যেটা বুঝেছি- ক্লিন ইমেজ, উজ্জ্বল ভাবমূর্তি যার রয়েছে তারাই নির্বাহী কমিটিতে স্থান পাবেন এবং ভালো পদে যাবেন। গুরুত্বপূর্ণ পদেও যাবেন। যাদের ক্লিন ইমেজ আছে, পারফরমেন্স ভালো তাদের অবশ্যই আপগ্রেডেশন হবেই।’
তিনি বলেন, ‘দলের দুঃসময়ে যারা আওয়ামী লীগের সংগ্রাম-আন্দোলনে ছিল সেসব লোকেরাই আসবে, এদের মধ্যে নতুন মুখও আসবে। যারা বয়সে অপেক্ষাকৃত কম, কেন্দ্রিয় কমিটিতে আসেনি, এমন অনেকেই আসতে পারেন।’
আওয়ামী লীগের আগে যুবলীগের সম্মেলন হবে কিনা- জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি আজকে আমাদের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করব। তিনি কিছু নির্দেশনা দেবেন এগুলো নিয়ে, আপনারা জানতে পারবেন।’
ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত দলীয় লোকদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা তো নানাভাবে নেয়া যায়। হয়তো একজন একটা ভালো পদে আছেন, তার বিরুদ্ধে অপকর্মের অভিযোগ থাকলে তিনি পদ হারাতে পারেন- সেটাও একটা শাস্তি। এ ধরনের শাস্তি গত নির্বাচনে মনোনয়ন এবং মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে অনেকেই পেয়েছেন। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা তো শুধু দল থেকে বের করে দেয়া নয়, পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া এবং পদাবনতিও একটা শাস্তি, সেটাও হতে পারে।’
আরএমএম/এএইচ/পিআর