আসিয়ান পরিবহন কার্যদলের নেতৃত্বে কুয়ালালামপুরে ৫০তম বৈঠক
ছবি-সংগৃহীত
মালয়েশিয়া ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আসিয়ান ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশন ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ারম্যানশিপ গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের ৬ থেকে ৮ এপ্রিল রাজধানী কুয়ালালামপুরে টিএফ ডাব্লিউ জি-এর ৫০তম বৈঠকের আয়োজন করে।
এ বৈঠকটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবেও চিহ্নিত হয়েছে, কারণ এতে প্রথমবারের মতো আসিয়ানের সদস্য হিসেবে তিমুর-লেস্তে অংশগ্রহণ করে, যা আঞ্চলিক সহযোগিতার পরিধিকে আরও শক্তিশালী করেছে।
কুয়ালালামপুর ট্রান্সপোর্ট স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ২০১৬–২০২৫ সমাপ্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এবারের বৈঠকে নতুন আসিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেক্টোরাল প্ল্যান ২০২৬–২০৩০ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনায় পরিবহন সুবিধা সহজীকরণের ছয়টি অগ্রাধিকার ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর মধ্যে আসিয়ানের চারটি মূল চুক্তি—এফএএফজিআইটি, এফএএফআইএসটি, এএফএএমটি এবং এএসইএএন সিবিটিপি বাস্তবায়ন বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

এছাড়াও, বৈঠকে নতুন কিছু উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়া–থাইল্যান্ড–লাও পিডিআর করিডোরে রেলপথের মাধ্যমে আশিয়ান কাস্টমস ট্রানজিট সিস্টেম পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এবং সীমান্ত অতিক্রমকারী বিপজ্জনক পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রোটোকল ৯ প্রয়োগের বিষয়টি বিবেচনা।
বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে টিএডব্লিউজির ভূমিকা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পরিবহন ব্যবস্থায় প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং চুক্তিগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরবরাহ চেইনের ধারাবাহিকতা ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
মালয়েশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতেও কৌশলগত আলোচনায় নেতৃত্ব প্রদান এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে একটি আরও দক্ষ, গতিশীল ও সমন্বিত আসিয়ান পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এমআরএম