ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ধর্ম

রমজানের প্রস্তুতি

কাজা রোজা শেষ করুন শাবানেই

ইসলাম ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:৩৭ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

অসুস্থতা, সফর ইত্যাদি গ্রহণযোগ্য শরঈ ওজর থাকলে রমজানে রোজা ভেঙে পরবর্তীতে কাজা করা যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন, রমজান মাস, যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে মানুষের জন্য হিদায়াতস্বরূপ এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে তবে অন্যান্য দিবসে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আল্লাহ তোমাদের সহজ চান এবং কঠিন চান না। (সুরা বাকারা: ১৮৫)

এ ছাড়া রমজানের দিন রোজা রেখে ইচ্ছাকৃত রোজা পানাহার বা যৌনমিলন করলে রোজা ভেঙে যাবে, রোজাটির কাজা করতে হবে, কাফফারাও দিতে হবে। অর্থাৎ ওই রোজাটির পরিবর্তে আরেকটির রোজা রাখার পাশাপাশি একটি গোলাম আজাদ করতে হবে অথবা ৬০ জন মিসকিনকে দুই বেলা ভালোভাবে তৃপ্তিসহকারে আহার করাতে হবে অথবা ধারাবাহিকভাবে ৬০টি রোজা রাখতে হবে। এ ছাড়া আরও কিছু কারণে রোজা ভেঙে যায়, কিন্তু শুধু কাজা ওয়াজিব হয়, কাফফারা দিতে হয় না।

রোজা ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফরজ আমল, ইসলামের মূল পাঁচ স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত। কোনো অসুস্থতা, অসুবিধা বা অবহেলায় রোজা ছুটে গেলে যত দ্রুত সম্ভব আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে ওই রোজার কাজা আদায় করা এবং কাফফারা ওয়াজিব হলে কাফফারা আদায় করা জরুরি। রমজানের পর প্রথম সুযোগেই রমজানের কাাজ রোজা আদায় করার চেষ্টা করা উচিত। যে কোনো ফজিতলতপূর্ণ নফল রোজার চেয়ে রমজানের কাজা রোজা আদায় করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষত পরবর্তী রমজান শুরু হওয়ার আগে অবশ্যই পূর্ববর্তী রমজানের ছুটে যাওয়া রোজার কাজা আদায় করে ফেলা উচিত। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে, তিনি বলেন, আমার রমজান মাসের রোজা অবশিষ্ট থেকে যেত। আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খেদমতে ব্যস্ত থাকার কারণে আমি শাবান মাসের আগে তা আদায় করার সুযোগ পেতাম না। (সহিহ মুসলিম: ১১৪৬)

এ হাদিস থেকে বোঝা যায় সাহাবায়ে কেরাম পরবর্তী রমজান শুরু হওয়ার আগে পূর্ববর্তী রমজানের কাজা রোজা আদায় করাকে গুরুত্ব দিতেন। সারা বছর সুযোগ না পেলে রমজানের পূর্ববর্তী শাবান মাসে অবশ্যই কাজা আদায় শেষ করতেন।

ওএফএফ

আরও পড়ুন