রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬
রমজান ২০২৬ সালের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। সিয়াম সাধনার এই বরকতময় মাসে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নিয়মিত রোজা পালন করছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দেশের সব বিভাগের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি তুলে ধরা হলো
ঢাকা জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
| রোজা | তারিখ | সেহরির শেষ সময় | ফজর শুরু | ইফতারের সময় |
|---|---|---|---|---|
| ০১ | ১৯ ফেব্রুয়ারি | ৫:১২ | ৫:১৫ | ৫:৫৮ |
| ০২ | ২০ ফেব্রুয়ারি | ৫:১১ | ৫:১৪ | ৫:৫৮ |
| ০৩ | ২১ ফেব্রুয়ারি | ৫:১১ | ৫:১৪ | ৫:৫৯ |
| ০৪ | ২২ ফেব্রুয়ারি | ৫:১০ | ৫:১৩ | ৫:৫৯ |
| ০৫ | ২৩ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৯ | ৫:১২ | ৬:০০ |
| ০৬ | ২৪ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৮ | ৫:১১ | ৬:০০ |
| ০৭ | ২৫ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৮ | ৫:১১ | ৬:০১ |
| ০৮ | ২৬ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৭ | ৫:১০ | ৬:০১ |
| ০৯ | ২৭ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৬ | ৫:০৯ | ৬:০২ |
| ১০ | ২৮ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৫ | ৫:০৮ | ৬:০২ |
| ১১ | ০১ মার্চ | ৫:০৫ | ৫:০৮ | ৬:০৩ |
| ১২ | ০২ মার্চ | ৫:০৪ | ৫:০৭ | ৬:০৩ |
| ১৩ | ০৩ মার্চ | ৫:০৩ | ৫:০৬ | ৬:০৪ |
| ১৪ | ০৪ মার্চ | ৫:০২ | ৫:০৫ | ৬:০৪ |
| ১৫ | ০৫ মার্চ | ৫:০১ | ৫:০৪ | ৬:০৫ |
| ১৬ | ০৬ মার্চ | ৫:০০ | ৫:০৩ | ৬:০৫ |
| ১৭ | ০৭ মার্চ | ৪:৫৯ | ৫:০২ | ৬:০৬ |
| ১৮ | ০৮ মার্চ | ৪:৫৮ | ৫:০১ | ৬:০৬ |
| ১৯ | ০৯ মার্চ | ৪:৫৭ | ৫:০০ | ৬:০৭ |
| ২০ | ১০ মার্চ | ৪:৫৭ | ৪:৫৯ | ৬:০৭ |
| ২১ | ১১ মার্চ | ৪:৫৬ | ৪:৫৮ | ৬:০৭ |
| ২২ | ১২ মার্চ | ৪:৫৫ | ৪:৫৭ | ৬:০৮ |
| ২৩ | ১৩ মার্চ | ৪:৫৪ | ৪:৫৭ | ৬:০৮ |
| ২৪ | ১৪ মার্চ | ৪:৫৩ | ৪:৫৬ | ৬:০৯ |
| ২৫ | ১৫ মার্চ | ৪:৫২ | ৪:৫৫ | ৬:০৯ |
| ২৬ | ১৬ মার্চ | ৪:৫১ | ৪:৫৪ | ৬:১০ |
| ২৭ | ১৭ মার্চ | ৪:৫০ | ৪:৫৩ | ৬:১০ |
| ২৮ | ১৮ মার্চ | ৪:৪৯ | ৪:৫২ | ৬:১০ |
| ২৯ | ১৯ মার্চ | ৪:৪৮ | ৪:৫০ | ৬:১১ |
| ৩০ | ২০ মার্চ | ৪:৪৭ | ৪:৪৯ | ৬:১১ |
রোজা রাখার নিয়ত
আরবি:
نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم
উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন আসুমা গাদাম মিন শাহরি রমাযানাল মুবারাক ফারযাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নাকা আনতাস সামিউল আলিম।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল বরকতময় রমজানের রোজা রাখার নিয়ত করছি আপনার ফরজ বিধান হিসেবে, আমার পক্ষ থেকে তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।
ইফতারের দোয়া
আরবি:
اَللّٰهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিজক্বিকা আফতারতু।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং আপনারই দেয়া রিজিকে ইফতার করছি।
যে ৭ কারণে রোজা ভেঙে যায় | রোজা ভঙ্গের প্রধান কারণসমূহ
পবিত্র রমজান মাসে রোজা শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকা নয়; বরং শরীয়তের নির্ধারিত কিছু বিষয় থেকে বিরত থাকাও ফরজ। অনেক সময় অজ্ঞতা বা অসাবধানতার কারণে রোজা ভেঙে যেতে পারে। তাই কোরআন ও হাদিসের আলোকে রোজা ভঙ্গের প্রধান ৭টি কারণ জানা অত্যন্ত জরুরি।
রোজা ভেঙে যাওয়ার প্রধান কারণগুলো
- ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করা
সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইচ্ছাকৃতভাবে খাবার বা পানীয় গ্রহণ করলে রোজা ভেঙে যায়। - ২. ধূমপান বা নেশাজাতীয় কিছু গ্রহণ
বিড়ি, সিগারেট, হুঁকা বা ধোঁয়াজাতীয় কোনো বস্তু ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রহণ করলে রোজা নষ্ট হয়। - ৩. পুষ্টিদায়ক ইনজেকশন বা রক্ত গ্রহণ
গ্লুকোজ, স্যালাইন বা শরীরকে পুষ্টি দেয় এমন ইনজেকশন নেওয়া কিংবা রক্ত গ্রহণ করলে রোজা ভেঙে যায়। - ৪. ইচ্ছাকৃত বমি করা
নিজে চেষ্টা করে মুখ ভরে বমি করলে রোজা ভঙ্গ হয়। তবে অনিচ্ছাকৃত বমি হলে রোজা নষ্ট হয় না। - ৫. স্ত্রী সহবাস করা
রোজা অবস্থায় সহবাস করলে রোজা ভেঙে যায় এবং এর জন্য কাফফারা আদায় করা বাধ্যতামূলক। - ৬. ইচ্ছাকৃত বীর্যপাত ঘটানো
হস্তমৈথুন বা যৌন উত্তেজনার মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বীর্যপাত ঘটালে রোজা ভেঙে যায়। - ৭. হায়েজ ও নেফাস (ঋতুস্রাব)
নারীদের ঋতুস্রাব বা সন্তান জন্মের পর রক্তস্রাব শুরু হলে ওই দিনের রোজা বাতিল হয়ে যায়।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
- ভুলে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু খাওয়া-পান করলে রোজা ভঙ্গ হয় না।
- ইসলাম সহজতার ধর্ম—ইচ্ছাকৃত কাজের উপরই রোজা ভঙ্গের বিধান প্রযোজ্য।
৬৪ জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
এ বছর দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডশেন। এ কারণে এবার অন্যান্য জেলার রোজাদারদের নিজেদের সেহরি-ইফতারের সময় ঢাকার সময়ের সঙ্গে যোগ বা বিয়োগ করে বের করতে হবে না। রোজাদারগণ আরো নির্ভুল সময়ে পবিত্র রমজানের সেহরি ও ইফতার সম্পন্ন করতে পারবেন।
ওএফএফ