বিপিএল
শেষ ওভারে রাজশাহীকে হারিয়ে ফাইনালে চট্টগ্রাম
শেষ ওভারে দরকার ৯ রান। জমে উঠেছিল ম্যাচ। কিন্তু রিপন মণ্ডলের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সব উত্তেজনায় জল ঢেলে দেন চট্টগ্রাম রয়্যালস অধিনায়ক শেখ মেহেদী। ৩ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের সহজ জয় পায় চট্টগ্রাম।
এই জয়ে এবারের বিপিএলে সবার আগে ফাইনালে নাম লিখিয়েছে চট্টগ্রাম। রাজশাহী হারলেও আরেকটা সুযোগ পাবে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে তারা মোকাবেলা করবে সিলেট টাইটান্সকে।
মিরপুর শেরে বাংলায় প্রথমে ব্যাট করে ১৩৩ রান তুলেছিল রাজশাহী। জবাবে ১৯.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম।
রান তাড়ায় ৬৯ বলের দায়িত্বশীল উদ্বোধনী জুটিতে ৬৪ রান তুলে দেন নাঈম শেখ আর মির্জা বাইগ। ৩৮ বলে ৩০ করে আউট হন নাঈম। এরপর দুই পাকিস্তানি হাসান নেওয়াজ (২ ছক্কায় ১৪ বলে ২০) আর আসিফ আলি (৮ বলে ১ ছক্কায় ১১) রান এগিয়ে দিয়ে যান।
৪৭ বলে ৪৫ করে আউট হন মির্জা বাইগ। এরপর মূল দায়িত্বটা পালন করেছেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী। ৯ বলে ২ ছক্কায় ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
এর আগে চট্টগ্রাম রয়্যালস বোলারদের তোপে ৯৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সেখান থেকে লোয়ার অর্ডারের আবদুল গাফফার সাকলাইনের শেষের ক্যামিওতে পুরো ২০ ওভার খেলে ১৩৩ রানের লড়াকু পুঁজি পায় দলটি।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দেখেশুনে শুরু করেন সাহিবজাদা ফারহান আর তানজিদ হাসান তামিম। উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ৩০ রান। ফারহান ১৯ বলে ২১ করে আউট হন।
নবম ওভারে রাজশাহীর দুই ব্যাটিং স্তম্ভকে টানা দুই বলে ফেরান শেখ মেহেদী হাসান। নাজমুল হোসেন শান্ত ১১ বলে ৮ আর মুশফিকুর রহিম (১ বলে ০) ফেরেন গোল্ডেন ডাকে।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে রাজশাহী। আকবর আলী ৩, জিমি নিশাম ৬ আর রায়ান বার্ল ফেরেন ৩ করেই। মাঝে আউট হন দারুণ খেলতে থাকা তানজিদ হাসান তামিমও। কঠিন পিচে ৩৭ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় তিনি করেন ৪১।
একশর আগে (৯৮ রানে) ৭ উইকেট হারায় রাজশাহী। সেখান থেকে আবদুল গাফফার সাকলাইন আর রিপন মণ্ডলের ব্যাটে লড়াকু পুঁজি গড়েছে রাজশাহী। সাকলাইন ১৫ বলে ২ চার আর ৩ ছক্কায় খেলেন ৩২ রানের ইনিংস। ৮ বলে ১ ছক্কায় ১০ রান করেন রিপন।
শেখ মেহেদী হাসান আর আমির জামাল নেন দুটি করে উইকেট।
এমএমআর