স্পিন জাদুতে রশিদের ৭০০
সব সংস্করণের ক্রিকেটেই লেগস্পিনে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের দিশেহারা করে তোলেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। তাকে ঘিরে বাড়তি সতর্কতা নিয়ে মাঠে নামতে হয় সব দলকেই। সেই রশিদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথম বোলার হিসেবে স্পর্শ করলেন স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু আগে টি-টোয়েন্টিতে রশিদের উইকেটসংখ্যা ছিল ৬৯৬। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ উইকেটে পরাজয়ের ম্যাচে শিকার করেছিলেন একটি উইকেট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও দল হারলে তিনি পেয়েছিলেন ২ উইকেট। দুই ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়ে নামের পাশে ছিল ৬৯৯ উইকেট।
গতকাল আজ দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ইনিংসের ১৬তম ওভারের তৃতীয় বলে আউট করেন আমিরাতের মোহাম্মদ আরফান। সুইপ করতে গিয়ে শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে হিট উইকেট হয়ে যান আফরান। আর তাতেই স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৭০০ উইকেট শিকার করলেন তিনি।
রশিদের মাইলফলকের ম্যাচে আজমতউল্লাহ ওমরাজাইয়ের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ৫ উইকেটে জিতে বাঁচিয়ে রেখেছে সুপার এইটের আশা। বল হাতে ৪ উইকেট পাওয়ার পর ব্যাট হাতে ২১ বলে ৪০ রানের অপরাজিত ইনিংসে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওমরজাই। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।
রশিদ খান যে কেবল উইকেট নিয়েছেন তা নয়। রান খরচের বেলায়ও ছিলেন বেশ কিপটে। ৭০০ উইকেট নিতে গিয়ে ৫১৩ ইনিংসে ৬.৫৯ ইকোনমিতে বোলিং করেছেন। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় দুইয়ে থাকা ডোয়াইন ব্রাভোও অনেক পিছিয়ে রশিদের চেয়ে। ব্রাভো ৬৩১ উইকেট নিয়েছেন ৮.২৬ ইকোনমিতে।
এই তালিকায় ছয়ে অবস্থান বাংলাদেশের সাকিব আল হাসানের। তিনি শিকার করেছেন ৫০৭ উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাকে দেখা না গেলেও খেলে যাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ৬ উইকেটশিকারী
রশিদ খান ৭০০ উইকেট
ডোয়াইন ব্রাভো ৬৩১ উইকেট
সুনিল নারাইন ৬১৩ উইকেট
ইমরান তাহির ৫৭২ উইকেট
আন্দ্রে রাসেল ৫০৮ উইকেট
সাকিব আল হাসান ৫০৭ উইকেট
আইএন