ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ওপেনিং জুটি ও ফারহানের সেঞ্চুরির রেকর্ডে পাকিস্তানের রানের পাহাড়

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৯:২২ পিএম, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বাঁচা-মরার ম্যাচে কেমন ব্যাটিং করতে হয় তা দেখিয়ে দিলেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান। দুজনে মিলে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি গড়লেন ১৭৭ রানের। এরপর ফারহান করলেন হার না মানা শতক। তাতেও হয়েছে রেকর্ড। প্রথম ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো ব্যাটার দুট সেঞ্চুরি করলেন এক আসরে। আর তাতেই দুশো ছাড়িয়ে ৮ উইকেটে ২১২।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পাল্লেকেল্লেতে শ্রীলঙ্কার আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিক বোলারদের তুলোধুনো করেছেন দুই ওপেনার। সেমিফাইনালে যেতে ৬৫ রানের বেশি ব্যবধানে জয়ের দেখা পেতেই হবে। ব্যাটিংও করলেন সেই মেজাজেই।

পাওয়ার প্লেতে ৬ ওভারে যোগ হয় ৬৪ রান। ওই ছয় ওভারেই নিশ্চিত হয়ে যায় আজ আর থামানো যাচ্ছে না পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে। মাঠের চারদিকে চার-ছয়ের পসরা সাজিয়ে লঙ্কান গ্যালারিতে শোকের আবহ তৈরি করেন তারা দুজন।

৯.৫ বলে দলীয় ১০০ রান পূর্ণ হয় পাকিস্তানের। ১০ ওভারের পর দুজনই পান অর্ধশতকের দেখা। লঙ্কান বোলাররা মোটেই সুবিধা করতে পারছিলেন না এই দুই ব্যাটারের সামনে।

১৪ ওভার শেষে ১৫০ রান যোগ হয় পাকিস্তানের বোর্ডে ফখর ও ফারহানের ঝড়ে। এরপর তারা টপকে যায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৭৬ রানের উদ্বোধনী জুটির রেকর্ড। এবারের আসরেই চেন্নাইতে টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেন সংযুক্ত আরব-আমিরাতের বিরুদ্ধে দুজনে মিলে গড়েন অপরাজিত ১৭৬ রানের জুটি।

পাকিস্তানের রেকর্ড ১৭৭ রানের জুটিটা ভাঙে দুশমন্থ চামিরার বলে। ৪২ বলেন ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে বোল্ড হন তিনি। ইনিংসটি সাজান ৯ চার ও ৪ ছক্কায়। কলম্বোর মাঠের চারপাশে চার-ছয়ের বন্যা বইয়ে দেন তিনি।

তার বিদায়ের পর মাঠে নামা খাজা নাফেও আউট হয়ে গেছেন দ্রুতই। ৩ বলে ২ রান করেন তিনি মাদুশাঙ্কার বলে আউট হওয়ার আগে।

তবে থামানো যায়নি সাহিবজাদা ফারহানকে। ৫৯ বলে আদায় করে নিয়েছেন এই আসরে তার দ্বিতীয় শতক। এর আগে গ্রুপ পর্বে নামিবিয়ার বিপক্ষে ৫৮ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। প্রথমবার কোনো ব্যাটার এক আসরে করলেন দুটি সেঞ্চুরি। আউটও হয়েছেন বরাবর ১০০ রানেই মাদুশাঙ্কার বলে লিয়ানেজকে ক্যাচ দিয়ে। এই আসরে ৩৮৩ রান করে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক এখন তিনি।

শাদাব খান ৭ করে আউট, মোহাম্মদ নওয়াজ ও অধিনায়ক সালমান আলি আগা ব্যর্থ হয়েছেন রানের খাতা খুলতে। ৪ রান করেছেন শাহিন আফ্রিদি। উসমান খান ৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি উইকেট পেয়েছেন মাদুশাঙ্কা। দুটি দাসুন শানাকা ও একটি দুশমন্থ চামিরা।

আইএন