ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

ওমরাহ করে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নিবেন হাবিবুল বাশার

ক্রীড়া প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৭:৪৮ পিএম, ২৫ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক হিসেবে নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন হাবিবুল বাশার সুমন। দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ বুধবার পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে তিনি সৌদি আরব রওনা হয়েছেন। ওমরাহ শেষে আগামী ৩১ জানুয়ারি তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে এবং ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি পূর্ণাঙ্গভাবে নির্বাচক প্যানেলের হাল ধরবেন। দেশ ছাড়ার আগে গণমাধ্যমকে নিজের নতুন পরিকল্পনা ও রোমাঞ্চের কথা জানিয়েছেন সাবেক এই অধিনায়ক।

সামনে বিশ্বকাপের বড় আসর ও ঠাসা দ্বি-পাক্ষিক সিরিজের সূচি থাকায় কাজটিকে বেশ চ্যালেঞ্জিং হিসেবে দেখছেন বাশার। তিনি বলেন, ‘এক্সাইটেড অবশ্যই। এই বছর বাংলাদেশের অনেক খেলা। বিশ্বকাপের বছর, সাথে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ অনেক, বড় সিরিজ। ভালো খেলাটা জরুরি। ধারাবাহিকতা ধরে রাখাও অনেক জরুরি। নির্বাচকের কাজটা অনেক দায়িত্বের জায়গা। আমি আশাবাদী, দেখা যাক, ভালো কাজ করব আশা করছি।’

সাবেক প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। বাশার আরও যোগ করেন, ‘এখন পর্যন্ত স্কোয়াড তারা (আগের নির্বাচক প্যানেল) দিয়েছে। আমরা ১ এপ্রিল থেকে জয়েন করব। লিপু (গাজী আশরাফ হোসেন) ভাইয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে। ২ বছর ধরে একটা প্ল্যান নিয়ে কাজ করছিলেন। তার ধারাবাহিকতাও জরুরি। সেটাকেই যেন আমরা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। আজকে বসেছিলাম নির্বাচকরা। সামনে আবার বসে কাজ বুঝে নেব। পুরোপুরি কাজ বুঝে নেব সামনের মাস থেকে।’

সহকারী নির্বাচক হিসেবে নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরীর অন্তর্ভুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাশার। ঘরোয়া ক্রিকেটে তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা দল নির্বাচনে সহায়ক হবে বলে তার বিশ্বাস।

প্যানেল নিয়ে বাশার জানান, ‘অভিজ্ঞতার সাথে তারুণ্যের ভালো মিশেল রয়েছে। হাসিবুল হোসেন শান্ত আগে থেকেই ছিলেন। নাঈম ইসলাম অনেক দিন ধরে খেলছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অনেক খেলেছেন। জাতীয় দলের বাইরে যারা খেলছেন তাদেরকে ভালোভাবে দেখাটাও জরুরি। নাঈম অনেক দিন ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন, সেখানে ভালো ইনপুট আমরা পেতে পারব। নাদিফ চৌধুরী জুনিয়র লেভেলে কাজ করেছেন, ঘরোয়াতে খেলেছেন। এটা ইতিবাচক সাইন। সবাই ক্রিকেটের সাথেই আছেন, ক্রিকেট নিয়েই আছেন, প্লেয়ার নির্বাচনে এগুলো কাজে দিবে।’

এসকেডি/আইএইচএস/