ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

‘এখন আর কিছুতেই অবাক হই না’, বারবার বিসিবি সভাপতি বদল প্রসঙ্গে সিমন্স

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:০১ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

‘এবার ক্রিকেটের প্রশ্নে ফেরা যাক,’ বাংলাদেশ হেড কোচ ফিল সিমন্সের মুখ থেকে কথাটা বের হতেই হাসির রোল পড়ে গেলো মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে। আগামী পরশু ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। সেখানে হেড কোচের সংবাদ সম্মেলনে প্রথম ছয়টা প্রশ্নের মধ্যে পাঁচটাই ছিল গত দেড় বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিবর্তন নিয়ে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে হেড কোচ হিসেবে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেন সিমন্স। তখনও তামিম ইকবাল ক্রিকেট খেলছেন। পরের ফেব্রুয়ারিতে অধিনায়ক হিসেবে ফরচুন বরিশালকে বিপিএলে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নও করেন। এর দেড় বছর পর সেই তামিমই এখন বিসিবি সভাপতি। সবমিলিয়ে ফিল সিমন্স দায়িত্ব নেওয়ার পর বিসিবিতে দেখেছেন তিনজন সভাপতি। এত দ্রুত পরিবর্তন, খেলোয়াড় থেকে তামিমকে সভাপতি হতে দেখা প্রায় সবকিছু নিয়েই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সিমন্স।

দায়িত্ব নেওয়ার পর দেড় বছরে তিনজন ভিন্ন বিসিবি সভাপতি দেখে অবাক হয়েছেন কি না, প্রশ্নে সিমন্স কিছুটা দর্শনের সাহায্য নেন। উত্তরটা দেন এভাবে, ‘এখন আর জীবনে কিছুতেই আমি অবাক হই না। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা অন্য কিছুর কোনো সম্পর্ক নেই, এটা শুধু জীবনের ব্যাপার। আমি জীবনে অনেক কিছু দেখেছি, জানি প্রতিদিনই অনেক কিছু ঘটে। তাই কোনো কিছুতেই আমি অবাক হই না।’

নতুন সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে এর মধ্যে আলাপও হয়েছে জানিয়ে সিমন্স বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের স্টাফদের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। এরপর দুদিন আগে যখন খেলা চলছিল তখন তিনি ড্রেসিংরুমে এসেছিলেন এবং আমাদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন। কয়েকবার কথা হয়েছে।’

এত ঘন ঘন সভাপতি পরিবর্তন হলে কোচ হিসেবে তার কাজে কোনো পরিবর্তন আনতে হয় কি না? প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘আপনি যেমন বললেন, এটি তৃতীয় সভাপতি। তবে এতে আমার দায়িত্ব পালনে কোনো পার্থক্য থাকে না। আমরা কীভাবে দলকে প্রস্তুত করি বা সিরিজের জন্য কীভাবে কাজ করি তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। কোচিং গ্রুপ হিসেবে আমরা যেভাবে কাজ করি সেটিও বদলায়নি। তারা তো হেড কোচ হয়ে আসছেন না। তাই আমি আমার কাজটাই করে যাচ্ছি, কারণ আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি এবং কিছু গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। আমরা এখনো সেই কাজটাই করে যাচ্ছি। কেউ এসে আমাদের পরিকল্পনা বদলানোর চেষ্টা করেনি। তাই আমরা যখন এসেছিলাম যে পরিকল্পনা বলেছিলাম, সেটিই এখনো গড়ে তোলার চেষ্টা করছি।’

সিমন্সের দাবি মাঠের বাইরে এসব পরিবর্তন ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতেও কোনো প্রভাব ফেলছে না। তিনি বলেন, ‘প্রথমত, এতে আমাদের কাজ বা আমরা কীভাবে অনুশীলন করি—এসবের ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি। আমাদের যে ক্যাম্প ছিল সেটাও প্রভাবিত হয়নি। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেটি হয়েছে এবং আমরা সেটিই করেছি। খেলোয়াড়দের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়েছে কি না জানতে চাইলে তাদেরই জিজ্ঞেস করতে হবে। কারণ আমি মনস্তাত্ত্বিক কোনো প্রভাব দেখিনি। তারা সব কাজই করেছে, যেমনটা সাধারণত করে, বরং কেউ কেউ আরও বেশি পরিশ্রম করেছে। তাই সিরিজের প্রস্তুতির জন্য যা যা দরকার তারা এখনো সেগুলোই করে যাচ্ছে।’

এসকেডি/এমএমআর